৪টি ওভার নাইট ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন আর সকালে পান উজ্জ্বল ত্বক

ব্যস্ত এই জীবনে ত্বক পরিচর্যা করার সময় হয়ে ওঠে না। অল্প সময়ে উজ্জ্বল ত্বক পেতে চান সব নারীরাই। নারীদের এই ইচ্ছাটি অনেকটা পূরণ করে দেয় ওভার নাইট ফেসপ্যাক। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অনেকেই নাইট ক্রিম ব্যবহার করেন। ওভার নাইটা ফেসপ্যাক নাইট ক্রিমের মত কাজ করে থাকে। ত্বক বিশেষজ্ঞ Dr Jaishree Sharad মনে করেন “ ওভার নাইট ফেসপ্যাক অনেকটা নাইট ক্রিমের মত কাজ করে কিন্তু এর উপাদানগুলো নাইট ক্রিম থেকে ভিন্ন। নাইট ক্রিমের রাসায়নিক উপাদান অনেকের ত্বকে সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে, তারা নির্ভয়ে এই ফেসপ্যাকগুলো ব্যবহার করতে পারেন”।
বিভিন্ন ধরণের ওভার নাইট ফেসপ্যাক বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ওভার নাইট ফেসপ্যাক ব্যবহার করা উচিত। ঘরোয়াভাবে ওভার নাইট ফেসপ্যাক তৈরি করা সম্ভব। কীভাবে? জেনে নিন কিছু ওভার নাইট ফেসপ্যাক তৈরির নিয়ম।
১। গ্রিন টি প্যাক
দুটি গ্রিন টি ব্যাগ ১০ মিনিট পানিতে ফুটিয়ে নিন। এটি ঠান্ডা হয়ে গেলে এতে দুই চামচ আলুর রস মিশিয়ে ফেলুন। এবার এটি মুখ, ঘাড় এবং চোখের চারপাশের অংশে লাগিয়ে রাখুন। এটি সারা রাত ত্বকে রাখুন। চোখের নিচের কালো দাগ, ত্বকের কালো দাগ দূর করে দেবে এই প্যাকটি।
২। বাদাম তেল এবং জোজোবা অয়েল ফেসপ্যাক
দুই চা চামচ বাদাম তেল এবং ২-৩ ফোঁটা জোজোবা অয়েল মিশিয়ে নিন। এটি ত্বকে চক্রাকারে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি ত্বকে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। বাদাম তেলের ভিটামিন ই ত্বকে পুষ্টি দেয়।
৩। টমেটো এবং মধু
ত্বক টোনিং এবং নমনীয়তা বৃদ্ধির জন্য টমেটো বেশ কার্যকরী। সব ধরণের ত্বকে এই প্যাকটি মানিয়ে যায়। সারা রাত ত্বকে প্যাকটি লাগিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন।
৪। টকদই এবং মধু
এক টেবিল চামচ টকদই এবং এক চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি মুখ, ঘাড়ে ভাল করে লাগিয়ে রাখুন। সারারাত এইভাবে রাখুন। পর দিন সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ওভার নাইট ফেসপ্যাক রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুন। সারারাত ত্বকে প্যাকটি রাখুন। পরের দিন সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ব্যস্ত এই জীবনে ত্বক পরিচর্যা করার সময় হয়ে ওঠে না। অল্প সময়ে উজ্জ্বল ত্বক পেতে চান সব নারীরাই। নারীদের এই ইচ্ছাটি অনেকটা পূরণ করে দেয় ওভার নাইট ফেসপ্যাক। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অনেকেই নাইট ক্রিম ব্যবহার করেন। ওভার নাইটা ফেসপ্যাক নাইট ক্রিমের মত কাজ করে থাকে। ত্বক বিশেষজ্ঞ Dr Jaishree Sharad মনে করেন “ ওভার নাইট ফেসপ্যাক অনেকটা নাইট ক্রিমের মত কাজ করে কিন্তু এর উপাদানগুলো নাইট ক্রিম থেকে ভিন্ন। নাইট ক্রিমের রাসায়নিক উপাদান অনেকের ত্বকে সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে, তারা নির্ভয়ে এই ফেসপ্যাকগুলো ব্যবহার করতে পারেন”।
বিভিন্ন ধরণের ওভার নাইট ফেসপ্যাক বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ওভার নাইট ফেসপ্যাক ব্যবহার করা উচিত। ঘরোয়াভাবে ওভার নাইট ফেসপ্যাক তৈরি করা সম্ভব। কীভাবে? জেনে নিন কিছু ওভার নাইট ফেসপ্যাক তৈরির নিয়ম।
১। গ্রিন টি প্যাক
দুটি গ্রিন টি ব্যাগ ১০ মিনিট পানিতে ফুটিয়ে নিন। এটি ঠান্ডা হয়ে গেলে এতে দুই চামচ আলুর রস মিশিয়ে ফেলুন। এবার এটি মুখ, ঘাড় এবং চোখের চারপাশের অংশে লাগিয়ে রাখুন। এটি সারা রাত ত্বকে রাখুন। চোখের নিচের কালো দাগ, ত্বকের কালো দাগ দূর করে দেবে এই প্যাকটি।
২। বাদাম তেল এবং জোজোবা অয়েল ফেসপ্যাক
দুই চা চামচ বাদাম তেল এবং ২-৩ ফোঁটা জোজোবা অয়েল মিশিয়ে নিন। এটি ত্বকে চক্রাকারে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি ত্বকে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। বাদাম তেলের ভিটামিন ই ত্বকে পুষ্টি দেয়।
৩। টমেটো এবং মধু
ত্বক টোনিং এবং নমনীয়তা বৃদ্ধির জন্য টমেটো বেশ কার্যকরী। সব ধরণের ত্বকে এই প্যাকটি মানিয়ে যায়। সারা রাত ত্বকে প্যাকটি লাগিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন।
৪। টকদই এবং মধু
এক টেবিল চামচ টকদই এবং এক চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি মুখ, ঘাড়ে ভাল করে লাগিয়ে রাখুন। সারারাত এইভাবে রাখুন। পর দিন সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ওভার নাইট ফেসপ্যাক রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুন। সারারাত ত্বকে প্যাকটি রাখুন। পরের দিন সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

কি খাব, কখন খাব ফিট থাকতে

সকাল-বিকেল ফল খাচ্ছেন? ঘুম থেকে উঠেই গ্রিন-টি? ভাবছেন তো পারফেক্ট ডায়েটিং করছেন৷ কিন্তু সত্যিই কি তাই? স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ারও নিদির্ষ্ট সময় আছে৷ নাহলে কিন্তু নিটফল শূন্য৷
কেক-পেস্ট্রি

একেবারে ছেড়ে দিতে পারলেই ভালো হয়৷ অগত্যা না পারলে সকালে ঘুম থেকে উঠেই একটা কেক বা পেস্ট্রি খেতে পারেন৷ নিজের নিউট্রিশাস মিল-এর পরিবর্তে কেক-পেস্ট্রি খাবেন না৷ তবে খেয়াল রাখবেন মাসে এক-দু’বারই এই ব্যতিক্রম চলতে পারে৷
পিৎজা
অনেকক্ষণ ধরে কোনো বোরিং মিটিং চললে তারপর এক টুকরো পিৎজা খেতে পারেন৷ তবে এই এক টুকরোকেই পুরো মিল ভাববেন৷ এর সঙ্গে ফ্রেঞ্চফ্রাই বা কোল্ডড্রিঙ্ক খাবেন না৷
সিরাপ, কোল্ড ড্রিঙ্ক
অনেকক্ষণ রোদে থাকলে তখন কোল্ড ড্রিঙ্ক বা সিরাপ খান৷ কারণ রোদে চিনি কম ক্ষতি করে৷ সারাদিন খুব পরিশ্রম করলে বা ছুটিতে থাকলে দু-তিন দিন অন্তর সিরাপ বা কোল্ড ড্রিঙ্ক পান কোনো ক্ষতি করে না৷
বিস্কিট
অনেকক্ষণ কোনো ফিজিকাল অ্যাক্টিভিটির পর বিস্কিট খেতে পারেন৷ ট্রেকিং, ঘণ্টা দুয়েক হাঁটা বা আধবেলা শপিং করার পর একটা বা দুটো বিস্কিট চলতে পারে৷ বিস্কিট কিন্ত্ত কেক বা পেস্ট্রির থেকেও বেশি ক্ষতিকারক৷ কারড় বিস্কিট খাওয়ার সময় আমরা কেউই হিসেব রাখি না৷
মিষ্টি, পায়েস, ক্ষীর…
দুপুরে পেট ভরে খাওয়ার আধ ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা পর একটা মিষ্টি বা এক বাটি পায়েস চলতে পারে৷ রাতের খাবারের সঙ্গে বা পরে মিষ্টি খাবেন না৷ নাহলে ঘুম ভাঙার পর প্রথমেই মিষ্টি খান৷ যেকোনো মিষ্টি বা ডেসার্টকে পুরো মিল হিসেবেই ট্রিট করুন৷ তবে মনে রাখবেন, মাসে এক বা দুবারই চলতে পারে মিষ্টি খাওয়া৷
ভাজাভুজি
সম্ভব হলে এটাও ঘুম ভাঙার পর খান৷ তবে সকালে অনেকেই ভাজাভুজি খেতে পছন্দ করেন না৷ সেক্ষেত্রে বিকেলের দিকে খেতে পরেন৷ এক সঙ্গে অনেক ধরনের ভাজা খাবেন না৷ সপ্তাহে একদিন এই ভাজাভুজি খেতে পারেন৷ তবে ভাজা সঙ্গে মিষ্টি খাওয়া কিন্ত্ত একেবারেই উচিত নয়৷
চিনি
দিনে দুই চা চামচ চিনিই যথেষ্ট৷ তাই যারা চা বা কফিতে চিনি খান তারা কিন্ত্ত রান্নায় চিনি খেতে পারবেন না একবারেই৷
ফল
ঘুম থেকে উঠেই ফল খান৷ নাহলে ওয়র্ক-আউট করার পর৷ সারাদিন ধরে ফল খাবেন না৷ কারণ এতে ফলের ভিটামিনের পরিবর্তে গ্লুকোজ-ই শরীরে যাবে৷ যা শরীরে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে৷
চা-কফি
ঘুম থেকে উঠে কখনওই চা বা কফি খাবেন না৷ সকালে একটা ফল বা কয়েকটা আমন্ড খান৷ কিছুক্ষণ পরে চা বা কফি খান৷ কারণ ঘুম ভাঙার ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে কোননোখাবার পেটে যাওয়া প্রয়োজন৷ পানীয় নয়৷ সকালে উঠেই এক কাপ গ্রিন টি পান করে ভাবছেন তো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট পানীয় খেলেন৷ বিষয়টা কিন্ত্ত একেবারেই এরকম নয়৷ কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট-এর অনুপস্থিতিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কাজ করতে পারে না৷ তাই গ্রিন-টি পানের আগে কোনো খাবার খাওয়া প্রয়োজন৷
সকাল-বিকেল ফল খাচ্ছেন? ঘুম থেকে উঠেই গ্রিন-টি? ভাবছেন তো পারফেক্ট ডায়েটিং করছেন৷ কিন্তু সত্যিই কি তাই? স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ারও নিদির্ষ্ট সময় আছে৷ নাহলে কিন্তু নিটফল শূন্য৷
কেক-পেস্ট্রি

একেবারে ছেড়ে দিতে পারলেই ভালো হয়৷ অগত্যা না পারলে সকালে ঘুম থেকে উঠেই একটা কেক বা পেস্ট্রি খেতে পারেন৷ নিজের নিউট্রিশাস মিল-এর পরিবর্তে কেক-পেস্ট্রি খাবেন না৷ তবে খেয়াল রাখবেন মাসে এক-দু’বারই এই ব্যতিক্রম চলতে পারে৷
পিৎজা
অনেকক্ষণ ধরে কোনো বোরিং মিটিং চললে তারপর এক টুকরো পিৎজা খেতে পারেন৷ তবে এই এক টুকরোকেই পুরো মিল ভাববেন৷ এর সঙ্গে ফ্রেঞ্চফ্রাই বা কোল্ডড্রিঙ্ক খাবেন না৷
সিরাপ, কোল্ড ড্রিঙ্ক
অনেকক্ষণ রোদে থাকলে তখন কোল্ড ড্রিঙ্ক বা সিরাপ খান৷ কারণ রোদে চিনি কম ক্ষতি করে৷ সারাদিন খুব পরিশ্রম করলে বা ছুটিতে থাকলে দু-তিন দিন অন্তর সিরাপ বা কোল্ড ড্রিঙ্ক পান কোনো ক্ষতি করে না৷
বিস্কিট
অনেকক্ষণ কোনো ফিজিকাল অ্যাক্টিভিটির পর বিস্কিট খেতে পারেন৷ ট্রেকিং, ঘণ্টা দুয়েক হাঁটা বা আধবেলা শপিং করার পর একটা বা দুটো বিস্কিট চলতে পারে৷ বিস্কিট কিন্ত্ত কেক বা পেস্ট্রির থেকেও বেশি ক্ষতিকারক৷ কারড় বিস্কিট খাওয়ার সময় আমরা কেউই হিসেব রাখি না৷
মিষ্টি, পায়েস, ক্ষীর…
দুপুরে পেট ভরে খাওয়ার আধ ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা পর একটা মিষ্টি বা এক বাটি পায়েস চলতে পারে৷ রাতের খাবারের সঙ্গে বা পরে মিষ্টি খাবেন না৷ নাহলে ঘুম ভাঙার পর প্রথমেই মিষ্টি খান৷ যেকোনো মিষ্টি বা ডেসার্টকে পুরো মিল হিসেবেই ট্রিট করুন৷ তবে মনে রাখবেন, মাসে এক বা দুবারই চলতে পারে মিষ্টি খাওয়া৷
ভাজাভুজি
সম্ভব হলে এটাও ঘুম ভাঙার পর খান৷ তবে সকালে অনেকেই ভাজাভুজি খেতে পছন্দ করেন না৷ সেক্ষেত্রে বিকেলের দিকে খেতে পরেন৷ এক সঙ্গে অনেক ধরনের ভাজা খাবেন না৷ সপ্তাহে একদিন এই ভাজাভুজি খেতে পারেন৷ তবে ভাজা সঙ্গে মিষ্টি খাওয়া কিন্ত্ত একেবারেই উচিত নয়৷
চিনি
দিনে দুই চা চামচ চিনিই যথেষ্ট৷ তাই যারা চা বা কফিতে চিনি খান তারা কিন্ত্ত রান্নায় চিনি খেতে পারবেন না একবারেই৷
ফল
ঘুম থেকে উঠেই ফল খান৷ নাহলে ওয়র্ক-আউট করার পর৷ সারাদিন ধরে ফল খাবেন না৷ কারণ এতে ফলের ভিটামিনের পরিবর্তে গ্লুকোজ-ই শরীরে যাবে৷ যা শরীরে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে৷
চা-কফি
ঘুম থেকে উঠে কখনওই চা বা কফি খাবেন না৷ সকালে একটা ফল বা কয়েকটা আমন্ড খান৷ কিছুক্ষণ পরে চা বা কফি খান৷ কারণ ঘুম ভাঙার ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে কোননোখাবার পেটে যাওয়া প্রয়োজন৷ পানীয় নয়৷ সকালে উঠেই এক কাপ গ্রিন টি পান করে ভাবছেন তো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট পানীয় খেলেন৷ বিষয়টা কিন্ত্ত একেবারেই এরকম নয়৷ কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট-এর অনুপস্থিতিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কাজ করতে পারে না৷ তাই গ্রিন-টি পানের আগে কোনো খাবার খাওয়া প্রয়োজন৷

রাতের রূপচর্চা জরুরী কেন ?

রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে রাতের রূপচর্চা খুবই কার্যকর। ব্যস্ত এই সময়ে নিজের যত্ন কতটুকুই বা নেয়া যায়। গৃহিণীদের ব্যস্ততা শুরু হয়ে যায় সেই সাতসকালেই। আর কর্মজীবী নারীদের তো সারাদিন কাজ করে বাসায় ফিরেও শেষ নেই কাজ; সংসার দেখাশোনার সঙ্গে সঙ্গে পরের দিনের কাজের প্রস্তুতি নিতে নিতেই ঘুমের সময় হয়ে যায়। শিক্ষার্থীরা আরও ব্যস্ত, সারা দিনে নিজের দিকে একটু তাকানোর সুযোগটা কোথায়! প্রতিদিনের নিয়মিত পরিচর্যার কোটা তাই খালিই পড়ে থাকে। ফলাফল ত্বক-চুলের নানাবিধ সমস্যা, মুটিয়ে যাওয়া, দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া, আরও কত কিছু। এই যখন অবস্থা, তখন এর আদর্শ সমাধান হতে পারে ঠিক ঘুমাতে যাওয়ার আগের সময়টুকুতে রূপচর্চার কাজটুকু সেরে ফেলা।
রাতের রূপচর্চা কেন জরুরীঃ
যারা সারাদিন বাইরে কাজ করেন, তাদের ত্বকে ধুলো ধোঁয়া ইত্যাদি জমা হয়। সন্ধ্যা বা রাতে বাড়ি ফেরার পর সারাদিনের জমে থাকা ময়লা এবং ব্যবহৃত মেকআপ ভালো করে ত্বক থেকে উঠিয়ে দেয়া জরুরী। মূলত এই কারণেই রাতে রূপচর্চার প্রয়োজন। অস্বাভাবিক পরিবেশ দূষণে মুখে যা ধুলাবালি জমা হয় এগুলো ত্বকে জমিয়ে রেখে দিলে ত্বকের করুন অবস্থার  কথা আশা করি বলার অপেক্ষা রাখে না। ময়লা তুলে না ফেললে ত্বকের ছিদ্রগুলো বন্ধ হয়ে যাবে, ত্বক স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারবে না তার ফলে ব্রণ, ব্ল্যাককহেডস, হোয়াইট হেডস বা ত্বকের আরও অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। রোদ তো বটেই দিনের আলোও ত্বকের জন্য অনেক সময় ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। রাতে সে সম্ভাবনা নেই, কাজেই তখন কিছু লাগালে পরিষ্কার ত্বকের উপর তা আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারে। ঘুমন্ত অবস্থায় মেটাবলিজমও কম হয়, ত্বক থাকে অনেক আরামে। তাছাড়া ৭-৮ ঘণ্টা টানা ঘুমানোর কারণে ক্রিম কার্যকর হবার মতো সময় পায়। যেটা দিনের বেলা হাজার কাজকর্ম হইচই; খাওয়াদাওয়ার মাঝে অসম্ভব। কাজেই ত্বকের পুষ্টি ও সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য প্রসাধন ও পরিচ্ছন্নতা রাতে করাই যুক্তিযুক্ত। তবে দিনের কাজের মাঝে সময় করে নিয়ে দুই একবার যদি মুখ পরিষ্কার করে নেওয়া যায়। তাহলে রাত্রের রূপচর্চা আরও কার্যকর হবে, এ সম্পর্কে সন্দেহ নেই।
রাতের রূপচর্চা কেমন হওয়া উচিত?
রুটিন অনেক কিছুর ওপর নির্ভরশীল। যেমন-বয়স, ঋতু, আবহাওয়া, বাতাসের আর্দ্রতা ইত্যাদি।
ত্বকঃ সুন্দর ত্বকের মূলমন্ত্রই হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। ‘ত্বকের ময়লা ঠিকমত পরিষ্কার করা না হলে ব্রণ হতে পারে। ত্বক হয়ে পড়ে খসখসে, রুক্ষ, অমসৃণ। তাই রাতে ঘুমানোর আগে মুখটাকে পরিষ্কার করে ঘুমালে সারা রাতের লম্বা সময় ত্বক একেবারে তরতাজা। আমাদের গরমের দেশে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ায় ত্বক তেলতেলে ও আর্দ্র হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে মৃদু সাবান ও পানি দিয়ে মুখ ধোয়া খুব ভালো। অবশ্য শুষ্ক ত্বকে সাবানের বদলে ক্লিঞ্জিং লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা উচিত ভিজে তুলো।
ধাপ-১
প্রথমে মুখ ধুয়ে নিন আপনার ত্বকের সঙ্গে খাপ খায় এমন কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে। স্পর্শকাতর ত্বক হলে ব্যবহার করতে পারেন ভেষজ ফেসওয়াশ।
ধাপ-২
এরপর ব্যবহার করুন ফেসপ্যাক। ঘরেই তা বানাতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের জন্য ১ টেবিল চামচ উপটান+১ চা চামচ টকদই+১ চা চামচ দুধের সর বা দুধ।
তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বকের জন্যঃ ১ টেবিল চামচ উপটান+১ চা চামচ টকদই+১ চা চামচ লেবুর রস।
এগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। পুরোটা শুকাবেন না, অর্ধেক শুকিয়ে এলে মুখ হালকা ঘষে ধুয়ে ফেলুন। প্যাকে মেশাতে পারেন গোলাপজল, যা সব ধরনের ত্বকের জন্য ভালো।
ধাপ-৩
ময়েশ্চারাইজার হিসেবে শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা ভেজা মুখে স্রেফ ২-৩ ফোঁটা যে কোনো বেবি অয়েল মেখে নিন। তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করাই উচিত।
রাত্রে লাগানোর ক্রিম ভিটামিন ই যুক্ত হলে উপকার হয়। কারণ ভিটামিন ই ত্বকের তারুণ্য বজায় রাখে। এছাড়া ক্রিমের মধ্যে এই ভিটামিন মেশানো থাকলে, ক্রিমটি অনেকদিন পর্যন্ত ভালো ও ব্যবহারযোগ্য থাকে। ভালো কোম্পানির ওভারনাইট ক্রিম সব বয়সের জন্যই ভালো। বিদেশী নারিশিং ক্রিম ব্যবহার করাই ভালো। বিদেশী ক্রিমে থাকে কোলাজেন ও ইলাসটিন যা ত্বকের কোষগুলোকে নতুনভাবে কার্যকর করে তোলে। এছাড়া থাকে লাইপোসোম, যা ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বককে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়। এ রকম ক্রিম রাতে ব্যবহার করলে ত্বক ভালো থাকে।
ব্রণের জন্যঃ যাদের ত্বক তৈলাক্ত ও ব্রণ আছে, তারা প্যাক ধুয়ে ফেলে ময়েশ্চারাইজারের বদলে ব্যবহার করুন অ্যাসট্রিনজেন্ট। ঘরোয়া অ্যাসট্রিনজেন্ট হলো গোলাপজল ও শশার রস। এগুলো ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিলে আরও ভালো। শশার রস করে বরফ জমানোর পাত্রে রেখে আইস-কিউব করে নিতে পারেন। প্রতি রাতে রস বানানোর ঝামেলায় না গিয়ে একটি কিউব মুখে ঘষে নিন।
সমপরিমাণে পুদিনা পাতা ও নিমপাতা বেটে শুধু ব্রণ ও দাগের উপর লাগিয়ে ঘুমান। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। পুদিনা পাতা ব্যবহার করতে পারেন ফেসপ্যাকেও। ব্রণের জন্য ভীষণ উপকারী।
চোখঃ চোখের ডার্ক সার্কেল কমাতে ঘুমানোর আগে কুরানো শশা বা আলু ঠাণ্ডা হলে ভালো বা ঠাণ্ডা টি-ব্যাগ চোখের উপর দিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট।
হাত ও পাঃ প্রতি রাতে পা ধুয়ে লোশন লাগিয়ে ঘুমাতে যান। এছাড়া নিয়মিত যত্ন হিসেবে সপ্তাহে দু-একবার যেটা করতে পারেন তা হলো—রাতে পা প্রথমে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে, ২ টেবিল চামচ কুসুম গরম অলিভ অয়েল+১ চা চামচ লবণের মিশ্রণ তৈরি করে সেটা পায়ে ভালো করে মাসাজ করুন। এতে মৃতকোষ ঝরে যাবে, গোড়ালি নরম হবে,  রক্ত চলাচল ভালো হবে। এর বদলে মুখের জন্য যে স্ক্রাব ব্যবহার করেন, তা দিয়েও মাসাজ করতে পারেন। ধুয়ে লোশন লাগিয়ে শুয়ে পড়ুন। সারাদিন পর পা দুটোকে যথোপযুক্ত আরাম দিন। হাতের যত্নও নিতে পারেন একইভাবে। মুখ, হাত, পা যে কোনো মাসাজই করতে হবে হালকা হাতে, আলতোভাবে। তা না হলে হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে।
চুলঃ যাদের বড় চুল, তারা বেণী করে নিন ঘুমানোর আগে। তাতে চুল সারা রাত ঘষা খাবে না। ছোট চুল হলে খোলা রেখে শুলেও অসুবিধা নেই। তেল মাসাজ করে শুলে ঘুম ভালো হবে।
নখঃ নখ ফেটে বা ভেঙে যাওয়ার সমস্যা কমাতে ঘুমানোর আগে হাত-পায়ের নখে জলপাই তেল (অলিভ অয়েল) ম্যাসাজ করে নিন। সারা রাত নখ আর্দ্রতা পাবে।
ঠোঁটঃ সবই যখন হল, বাদ যায় কেন ঠোঁটজোড়া ? নরম গোলাপি ঠোঁট পেতে প্রতি রাতে ভ্যাসলিনের সঙ্গে অল্প লবণ মিশিয়ে ঠোঁটে ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিন। এতে ঠোঁটের মৃত কোষ ঝরে উজ্জ্বলতা আসবে।
কিছু পরামর্শঃ
- কখনওই মেকআপ না মুছে ঘুমাতে যাওয়া উচিত নয়। মেকআপ যখনই করুন, মুখ পরিষ্কার করতে হবে তা না হলে ত্বকের ক্ষতি হবে।
কী ধরনের ক্রিম ব্যবহার করবেন সেটা যতটা গুরুত্বপূর্ণ তেমনি গুরুত্বপূর্ণ কতটা ক্রিম ব্যবহার করেন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কম ক্রিম ব্যবহার করতে হয়। তবে যাদের ব্রণ আছে তাদের নাইট ক্রিম ব্যবহার না করাই ভালো। শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশি পরিমাণে ক্রিম প্রয়োজন।
- নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করাও অত্যন্ত জরুরী। সারাদিনে ত্বক থেকে ময়েশ্চার নষ্ট হয়ে যায়, রাতে তা না হলে ত্বকে বলিরেখা পড়বে। যারা বাড়ির কাজ করেন, প্রত্যেকবার হাত ধুয়ে নিলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় ও বলিরেখা পড়ে। তাই নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা দরকার। এতে ত্বকে পুষ্টি যোগায়।
- নিয়মিত পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। পেট পরিষ্কার রাখার জন্যও পানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
রাতে খাওয়ার পর খেতে পারেন এক কাপ চায়নিজ জেসমিন টি, এতে শরীরে মেদ জমবে না। ঘুমানোর আগে একগ্লাস পানি খেয়ে নিন। নিয়মমাফিক পরিচর্যা, সুষম খাবার, সুন্দর জীবনযাপন আপনাকে ভালো ও সুস্থ রাখবে আর সুস্থতা প্রতিফলিত হবে আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্যে। তাই আপনার বিরামহীন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও ঘুমের আগে এটুকু ঘরোয়া পরিচর্যায় আপনি থাকবেন একদম সুস্থ, প্রাণবন্ত, সুন্দর।
রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে রাতের রূপচর্চা খুবই কার্যকর। ব্যস্ত এই সময়ে নিজের যত্ন কতটুকুই বা নেয়া যায়। গৃহিণীদের ব্যস্ততা শুরু হয়ে যায় সেই সাতসকালেই। আর কর্মজীবী নারীদের তো সারাদিন কাজ করে বাসায় ফিরেও শেষ নেই কাজ; সংসার দেখাশোনার সঙ্গে সঙ্গে পরের দিনের কাজের প্রস্তুতি নিতে নিতেই ঘুমের সময় হয়ে যায়। শিক্ষার্থীরা আরও ব্যস্ত, সারা দিনে নিজের দিকে একটু তাকানোর সুযোগটা কোথায়! প্রতিদিনের নিয়মিত পরিচর্যার কোটা তাই খালিই পড়ে থাকে। ফলাফল ত্বক-চুলের নানাবিধ সমস্যা, মুটিয়ে যাওয়া, দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া, আরও কত কিছু। এই যখন অবস্থা, তখন এর আদর্শ সমাধান হতে পারে ঠিক ঘুমাতে যাওয়ার আগের সময়টুকুতে রূপচর্চার কাজটুকু সেরে ফেলা।
রাতের রূপচর্চা কেন জরুরীঃ
যারা সারাদিন বাইরে কাজ করেন, তাদের ত্বকে ধুলো ধোঁয়া ইত্যাদি জমা হয়। সন্ধ্যা বা রাতে বাড়ি ফেরার পর সারাদিনের জমে থাকা ময়লা এবং ব্যবহৃত মেকআপ ভালো করে ত্বক থেকে উঠিয়ে দেয়া জরুরী। মূলত এই কারণেই রাতে রূপচর্চার প্রয়োজন। অস্বাভাবিক পরিবেশ দূষণে মুখে যা ধুলাবালি জমা হয় এগুলো ত্বকে জমিয়ে রেখে দিলে ত্বকের করুন অবস্থার  কথা আশা করি বলার অপেক্ষা রাখে না। ময়লা তুলে না ফেললে ত্বকের ছিদ্রগুলো বন্ধ হয়ে যাবে, ত্বক স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারবে না তার ফলে ব্রণ, ব্ল্যাককহেডস, হোয়াইট হেডস বা ত্বকের আরও অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। রোদ তো বটেই দিনের আলোও ত্বকের জন্য অনেক সময় ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। রাতে সে সম্ভাবনা নেই, কাজেই তখন কিছু লাগালে পরিষ্কার ত্বকের উপর তা আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারে। ঘুমন্ত অবস্থায় মেটাবলিজমও কম হয়, ত্বক থাকে অনেক আরামে। তাছাড়া ৭-৮ ঘণ্টা টানা ঘুমানোর কারণে ক্রিম কার্যকর হবার মতো সময় পায়। যেটা দিনের বেলা হাজার কাজকর্ম হইচই; খাওয়াদাওয়ার মাঝে অসম্ভব। কাজেই ত্বকের পুষ্টি ও সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য প্রসাধন ও পরিচ্ছন্নতা রাতে করাই যুক্তিযুক্ত। তবে দিনের কাজের মাঝে সময় করে নিয়ে দুই একবার যদি মুখ পরিষ্কার করে নেওয়া যায়। তাহলে রাত্রের রূপচর্চা আরও কার্যকর হবে, এ সম্পর্কে সন্দেহ নেই।
রাতের রূপচর্চা কেমন হওয়া উচিত?
রুটিন অনেক কিছুর ওপর নির্ভরশীল। যেমন-বয়স, ঋতু, আবহাওয়া, বাতাসের আর্দ্রতা ইত্যাদি।
ত্বকঃ সুন্দর ত্বকের মূলমন্ত্রই হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। ‘ত্বকের ময়লা ঠিকমত পরিষ্কার করা না হলে ব্রণ হতে পারে। ত্বক হয়ে পড়ে খসখসে, রুক্ষ, অমসৃণ। তাই রাতে ঘুমানোর আগে মুখটাকে পরিষ্কার করে ঘুমালে সারা রাতের লম্বা সময় ত্বক একেবারে তরতাজা। আমাদের গরমের দেশে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ায় ত্বক তেলতেলে ও আর্দ্র হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে মৃদু সাবান ও পানি দিয়ে মুখ ধোয়া খুব ভালো। অবশ্য শুষ্ক ত্বকে সাবানের বদলে ক্লিঞ্জিং লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা উচিত ভিজে তুলো।
ধাপ-১
প্রথমে মুখ ধুয়ে নিন আপনার ত্বকের সঙ্গে খাপ খায় এমন কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে। স্পর্শকাতর ত্বক হলে ব্যবহার করতে পারেন ভেষজ ফেসওয়াশ।
ধাপ-২
এরপর ব্যবহার করুন ফেসপ্যাক। ঘরেই তা বানাতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের জন্য ১ টেবিল চামচ উপটান+১ চা চামচ টকদই+১ চা চামচ দুধের সর বা দুধ।
তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বকের জন্যঃ ১ টেবিল চামচ উপটান+১ চা চামচ টকদই+১ চা চামচ লেবুর রস।
এগুলো একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। পুরোটা শুকাবেন না, অর্ধেক শুকিয়ে এলে মুখ হালকা ঘষে ধুয়ে ফেলুন। প্যাকে মেশাতে পারেন গোলাপজল, যা সব ধরনের ত্বকের জন্য ভালো।
ধাপ-৩
ময়েশ্চারাইজার হিসেবে শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা ভেজা মুখে স্রেফ ২-৩ ফোঁটা যে কোনো বেবি অয়েল মেখে নিন। তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করাই উচিত।
রাত্রে লাগানোর ক্রিম ভিটামিন ই যুক্ত হলে উপকার হয়। কারণ ভিটামিন ই ত্বকের তারুণ্য বজায় রাখে। এছাড়া ক্রিমের মধ্যে এই ভিটামিন মেশানো থাকলে, ক্রিমটি অনেকদিন পর্যন্ত ভালো ও ব্যবহারযোগ্য থাকে। ভালো কোম্পানির ওভারনাইট ক্রিম সব বয়সের জন্যই ভালো। বিদেশী নারিশিং ক্রিম ব্যবহার করাই ভালো। বিদেশী ক্রিমে থাকে কোলাজেন ও ইলাসটিন যা ত্বকের কোষগুলোকে নতুনভাবে কার্যকর করে তোলে। এছাড়া থাকে লাইপোসোম, যা ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বককে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়। এ রকম ক্রিম রাতে ব্যবহার করলে ত্বক ভালো থাকে।
ব্রণের জন্যঃ যাদের ত্বক তৈলাক্ত ও ব্রণ আছে, তারা প্যাক ধুয়ে ফেলে ময়েশ্চারাইজারের বদলে ব্যবহার করুন অ্যাসট্রিনজেন্ট। ঘরোয়া অ্যাসট্রিনজেন্ট হলো গোলাপজল ও শশার রস। এগুলো ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিলে আরও ভালো। শশার রস করে বরফ জমানোর পাত্রে রেখে আইস-কিউব করে নিতে পারেন। প্রতি রাতে রস বানানোর ঝামেলায় না গিয়ে একটি কিউব মুখে ঘষে নিন।
সমপরিমাণে পুদিনা পাতা ও নিমপাতা বেটে শুধু ব্রণ ও দাগের উপর লাগিয়ে ঘুমান। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। পুদিনা পাতা ব্যবহার করতে পারেন ফেসপ্যাকেও। ব্রণের জন্য ভীষণ উপকারী।
চোখঃ চোখের ডার্ক সার্কেল কমাতে ঘুমানোর আগে কুরানো শশা বা আলু ঠাণ্ডা হলে ভালো বা ঠাণ্ডা টি-ব্যাগ চোখের উপর দিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট।
হাত ও পাঃ প্রতি রাতে পা ধুয়ে লোশন লাগিয়ে ঘুমাতে যান। এছাড়া নিয়মিত যত্ন হিসেবে সপ্তাহে দু-একবার যেটা করতে পারেন তা হলো—রাতে পা প্রথমে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে, ২ টেবিল চামচ কুসুম গরম অলিভ অয়েল+১ চা চামচ লবণের মিশ্রণ তৈরি করে সেটা পায়ে ভালো করে মাসাজ করুন। এতে মৃতকোষ ঝরে যাবে, গোড়ালি নরম হবে,  রক্ত চলাচল ভালো হবে। এর বদলে মুখের জন্য যে স্ক্রাব ব্যবহার করেন, তা দিয়েও মাসাজ করতে পারেন। ধুয়ে লোশন লাগিয়ে শুয়ে পড়ুন। সারাদিন পর পা দুটোকে যথোপযুক্ত আরাম দিন। হাতের যত্নও নিতে পারেন একইভাবে। মুখ, হাত, পা যে কোনো মাসাজই করতে হবে হালকা হাতে, আলতোভাবে। তা না হলে হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে।
চুলঃ যাদের বড় চুল, তারা বেণী করে নিন ঘুমানোর আগে। তাতে চুল সারা রাত ঘষা খাবে না। ছোট চুল হলে খোলা রেখে শুলেও অসুবিধা নেই। তেল মাসাজ করে শুলে ঘুম ভালো হবে।
নখঃ নখ ফেটে বা ভেঙে যাওয়ার সমস্যা কমাতে ঘুমানোর আগে হাত-পায়ের নখে জলপাই তেল (অলিভ অয়েল) ম্যাসাজ করে নিন। সারা রাত নখ আর্দ্রতা পাবে।
ঠোঁটঃ সবই যখন হল, বাদ যায় কেন ঠোঁটজোড়া ? নরম গোলাপি ঠোঁট পেতে প্রতি রাতে ভ্যাসলিনের সঙ্গে অল্প লবণ মিশিয়ে ঠোঁটে ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিন। এতে ঠোঁটের মৃত কোষ ঝরে উজ্জ্বলতা আসবে।
কিছু পরামর্শঃ
- কখনওই মেকআপ না মুছে ঘুমাতে যাওয়া উচিত নয়। মেকআপ যখনই করুন, মুখ পরিষ্কার করতে হবে তা না হলে ত্বকের ক্ষতি হবে।
কী ধরনের ক্রিম ব্যবহার করবেন সেটা যতটা গুরুত্বপূর্ণ তেমনি গুরুত্বপূর্ণ কতটা ক্রিম ব্যবহার করেন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কম ক্রিম ব্যবহার করতে হয়। তবে যাদের ব্রণ আছে তাদের নাইট ক্রিম ব্যবহার না করাই ভালো। শুষ্ক ত্বকের জন্য বেশি পরিমাণে ক্রিম প্রয়োজন।
- নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করাও অত্যন্ত জরুরী। সারাদিনে ত্বক থেকে ময়েশ্চার নষ্ট হয়ে যায়, রাতে তা না হলে ত্বকে বলিরেখা পড়বে। যারা বাড়ির কাজ করেন, প্রত্যেকবার হাত ধুয়ে নিলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় ও বলিরেখা পড়ে। তাই নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা দরকার। এতে ত্বকে পুষ্টি যোগায়।
- নিয়মিত পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। পেট পরিষ্কার রাখার জন্যও পানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
রাতে খাওয়ার পর খেতে পারেন এক কাপ চায়নিজ জেসমিন টি, এতে শরীরে মেদ জমবে না। ঘুমানোর আগে একগ্লাস পানি খেয়ে নিন। নিয়মমাফিক পরিচর্যা, সুষম খাবার, সুন্দর জীবনযাপন আপনাকে ভালো ও সুস্থ রাখবে আর সুস্থতা প্রতিফলিত হবে আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্যে। তাই আপনার বিরামহীন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও ঘুমের আগে এটুকু ঘরোয়া পরিচর্যায় আপনি থাকবেন একদম সুস্থ, প্রাণবন্ত, সুন্দর।

ঘরোয়া ভাবে ১০ টি উপায়ে গলা ও ঘাড়ের ত্বক পরিষ্কার রাখুন

গলা ও ঘাড় আমাদের দেহের একটি খোলা অংশ। বেশির ভাগ সময়েই আমাদের গলা ও ঘাড় খোলা থাকে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে খোলা থাকার কারণে অনেক সময় রোদে পুড়ে কিংবা অযত্ন অবহেলার কারণে ঘাড় ও গলার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। সাধারণত আমাদের গলা ও ঘাড়ের ত্বক নরম থাকে ও খোলা থাকার কারণে খুব দ্রুত ময়লা আটকে যায়। কিন্তু এটা নিয়ে চিন্তত হওয়ার কোন কারণ নেই, আপনি চাইলে ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই ঘাড় ও গলা পরিষ্কার রাখতে পারেন। জেনে রাখুন উপায় গুলো।

১। লেবুঃ লেবু রোদে পোড়া দাগ দূর করে ও ত্বক উজ্জ্বল করে। তাই আপনি এক টুকরো লেবু নিয়ে সরাসরি আপানার গলা ও ঘাড়ে ম্যাসেজ করুন এবং চাইলে গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

২। নারিকেল তেলঃ নারিকেল আমাদের ত্বককে শুধুমাত্র পুষ্টির যোগান দেয় না এটি আমাদের ত্বকের পোড়া ভাবও দূর করে। পরিমাণ মত নারিকেল তেল হাতে নিয়ে ঘাড় ও গলায় ম্যাসেজ করুন।

৩। বেকিং সোডাঃ পরিমাণ মত পানি নিয়ে তাতে বেকিং সোডা দিয়ে মিশ্রন তৈরি করুন তারপর গলা ও ঘাড়ে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

৪। শসাঃ শসা আমাদের ত্বককে প্রাকৃতিক ভাবে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে থাকে। তাই আপনার ঘাড় ও গলায় শসার রস ব্যবহার করুন নিয়মিত।

৫। গোলাপজলঃ ঘাড় ও গলার কালো ছাপ গোলাপজল দিয়ে দূর করুন। গোলাপ জ্বল দিয়ে আপনার ঘাড় ও গলা পরিষ্কার করুন। চাইলে গোলাপজলের সাথে সামান্য হলুদের গুড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে পারেন, পেস্টটি ঘাড়ে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৬। মধুঃ ঘাড় ও গলার ত্বক উজ্জ্বল করতে ও ময়লা দূর করতে ব্যবহার করুন মধু। পরিমাণ মত মধু নিয়ে ত্বকে ম্যাসেজ করুন তারপর ধুয়ে ফেলুন।

৭। অ্যালোভেরাঃ অ্যালোভেরা জেল নিয়ে গলায় ও ঘাড়ে ম্যাসেজ করুন, প্রতিদিনের ব্যবহারে দেখবেন ঘাড় ও গলার ত্বক উজ্জ্বল হবে।

৮। অলিভ ওয়েলঃ অলিভ ওয়েল আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারি তা আমরা সবাই জানি। তাই আপনার গলা ও ঘাড়ের ত্বক সুন্দর ও নরম রাখতে অলিভ ওয়েল ম্যাসেজ করুন।

৯। আলুর রসঃ রোদের পোড়া দাগ দূর করতে ও গলা ও ঘাড়ের ত্বক উজ্জ্বল করতে আলুর রস ব্যবহার করতে পারেন।

১০। কমলাঃ কমলার রস আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে। তাই কমলার রস ব্যবহার করতে পারেন আপনার গলা ও ঘাড়ে।
গলা ও ঘাড় আমাদের দেহের একটি খোলা অংশ। বেশির ভাগ সময়েই আমাদের গলা ও ঘাড় খোলা থাকে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে খোলা থাকার কারণে অনেক সময় রোদে পুড়ে কিংবা অযত্ন অবহেলার কারণে ঘাড় ও গলার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। সাধারণত আমাদের গলা ও ঘাড়ের ত্বক নরম থাকে ও খোলা থাকার কারণে খুব দ্রুত ময়লা আটকে যায়। কিন্তু এটা নিয়ে চিন্তত হওয়ার কোন কারণ নেই, আপনি চাইলে ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই ঘাড় ও গলা পরিষ্কার রাখতে পারেন। জেনে রাখুন উপায় গুলো।

১। লেবুঃ লেবু রোদে পোড়া দাগ দূর করে ও ত্বক উজ্জ্বল করে। তাই আপনি এক টুকরো লেবু নিয়ে সরাসরি আপানার গলা ও ঘাড়ে ম্যাসেজ করুন এবং চাইলে গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

২। নারিকেল তেলঃ নারিকেল আমাদের ত্বককে শুধুমাত্র পুষ্টির যোগান দেয় না এটি আমাদের ত্বকের পোড়া ভাবও দূর করে। পরিমাণ মত নারিকেল তেল হাতে নিয়ে ঘাড় ও গলায় ম্যাসেজ করুন।

৩। বেকিং সোডাঃ পরিমাণ মত পানি নিয়ে তাতে বেকিং সোডা দিয়ে মিশ্রন তৈরি করুন তারপর গলা ও ঘাড়ে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

৪। শসাঃ শসা আমাদের ত্বককে প্রাকৃতিক ভাবে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে থাকে। তাই আপনার ঘাড় ও গলায় শসার রস ব্যবহার করুন নিয়মিত।

৫। গোলাপজলঃ ঘাড় ও গলার কালো ছাপ গোলাপজল দিয়ে দূর করুন। গোলাপ জ্বল দিয়ে আপনার ঘাড় ও গলা পরিষ্কার করুন। চাইলে গোলাপজলের সাথে সামান্য হলুদের গুড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে পারেন, পেস্টটি ঘাড়ে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৬। মধুঃ ঘাড় ও গলার ত্বক উজ্জ্বল করতে ও ময়লা দূর করতে ব্যবহার করুন মধু। পরিমাণ মত মধু নিয়ে ত্বকে ম্যাসেজ করুন তারপর ধুয়ে ফেলুন।

৭। অ্যালোভেরাঃ অ্যালোভেরা জেল নিয়ে গলায় ও ঘাড়ে ম্যাসেজ করুন, প্রতিদিনের ব্যবহারে দেখবেন ঘাড় ও গলার ত্বক উজ্জ্বল হবে।

৮। অলিভ ওয়েলঃ অলিভ ওয়েল আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারি তা আমরা সবাই জানি। তাই আপনার গলা ও ঘাড়ের ত্বক সুন্দর ও নরম রাখতে অলিভ ওয়েল ম্যাসেজ করুন।

৯। আলুর রসঃ রোদের পোড়া দাগ দূর করতে ও গলা ও ঘাড়ের ত্বক উজ্জ্বল করতে আলুর রস ব্যবহার করতে পারেন।

১০। কমলাঃ কমলার রস আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে। তাই কমলার রস ব্যবহার করতে পারেন আপনার গলা ও ঘাড়ে।

গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

এই গরমে ত্বকের নানা সমস্যা তো হতেই পারে। আর যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের ভোগান্তি যেন আরও বেশি। ঘামের কারণে কমবেশি সবারই হয় অস্বস্তি, আবার গরমে তৈলাক্ত ত্বকে বাইরের ধুলা-ময়লা আটকে গিয়েও সমস্যা হতে পারে। ব্রণের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। আর মেক–আপের ব্যাপারেও থাকতে হয় সতর্ক।
তৈলাক্ত ত্বকে প্রসাধনী ব্যবহার এবং এ ধরনের ত্বকের যত্ন প্রসঙ্গে পরামর্শ দিয়েছেন রূপবিশেষজ্ঞ ফারজানা শাকিল। জেনে নিন তাঁর পরামর্শ—

ত্বক রাখুন পরিষ্কার

 নিয়মিত মুখের ত্বক পরিষ্কার করুন। ঘাম ও মুখের তৈলাক্ত ভাবের কারণে অস্বস্তি হয় বলে নিজের সুবিধামতো সময়ে বারবার মুখ ধুয়ে নিতে চেষ্টা করুন।
 মুখ ধোয়ার পানিতে দু-এক ফোঁটা গোলাপজল মিশিয়ে নিতে পারেন, তাতে সতেজ অনুভূতি পাবেন।
 বাজারে যেসব ফেসওয়াশ কিনতে পাওয়া যায়, তা যদি আপনার ত্বকে মানিয়ে যায়, তবে সেটি ব্যবহার করতে পারেন।
 দিনে অন্তত দুবার গোসল করুন।
 গরম পানিতে নিমপাতা ডুবিয়ে রেখে সেই পানিতে গোসল করতে পারেন, এতে বিভিন্ন জীবাণুর সংক্রমণ থেকে বাঁচবেন।
 নিমযুক্ত সাবানও ব্যবহার করতে পারেন।
 পাউডার ব্যবহার করলেও তা দিন শেষে পরিষ্কার করে ফেলবেন।
মেকআপ হবে যেমন— যে প্রসাধনীই ব্যবহার করুন না কেন, তা হতে হবে ওয়াটার-বেসড বা পানিনির্ভর। অর্থাৎ অয়েল-বেসড বা তেলের প্রাধান্য বেশি এমন কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করা যাবে না।
 ফাউন্ডেশন লাগাতে হবে খুব কম। ফেসপাউডার লাগালে কোনো ক্ষতি নেই।
 এমন আইলাইনার লাগানো উচিত, যেন তা ভিজে গেলেও মুছে না যায়।

ত্বকের ঘরোয়া যত্নমুলতানি মাটি, চন্দনের গুঁড়া, কাগজিলেবুর রস এবং সর তোলা দুধ বা টকদই একত্রে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন ১০-১৫ মিনিট। এতে ত্বকের বাড়তি তেল ও ময়লা বেরিয়ে যাবে। তবে কাগজিলেবুর রস সরাসরি ব্যবহার না করে এটিকে গোলাপজলের সঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে তারপর ব্যবহার করুন। আর চন্দনের পরিবর্তে চাইলে ভিজিয়ে রাখা মসুরের ডাল বেটে নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
খাদ্যাভ্যাসে আনুন পরিবর্তনসুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার খাবেন না। ভাজাপোড়া কম খাবেন। ছোট মাছ, শাকসবজি খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
 প্রচুর পানি পান করুন।
 সকালে ঘুম থেকে উঠেই লেবুপানি পান করতে পারেন।
 উঠতি বয়সীরা লেবুপানির সঙ্গে একটু মধুও যোগ করতে পারেন।
 ফলের রসও পান করতে পারেন।
ব্রণের সমস্যা?ব্রণ সাধারণত একটি নির্দিষ্ট বয়সসীমার মধ্যেই হয়ে থাকে। উঠতি বয়সীদের মধ্যেই এ সমস্যা বেশি দেখা যায়, তবে কখনো কখনো ব্রণের সমস্যা হতে পারে তরুণীদেরও। ব্রণ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল বলেন, ব্রণ থেকে দুই ধরনের সমস্যা হতে পারে। একটি হচ্ছে দাগ এবং অপরটি হচ্ছে ক্ষত সৃষ্টি হওয়া। ব্রণের দাগ প্রসঙ্গে তাঁর মতামত—
 ব্রণ ভালো হয়ে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে এমনিতেই দাগ চলে যায়।
 এমনিতে দাগ না চলে গেলে দাগ দূর করার ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।
 অতিরিক্ত রোদ ও গরমে ব্রণ বেশি হতে পারে।
জেনে নিন
বেসন অথবা মসুরের ডাল বাটার সঙ্গে টকদই, আমন্ড বাদাম, কমলালেবুর খোসা বাটা এবং নিমপাতা বাটা দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করতে পারেন। এটি তৈরি করে ফ্রিজে রেখে কয়েক দিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন। প্যাকটি প্রতিদিন মুখে লাগাবেন এবং ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুছে নেবেন। মুখ ছাড়াও প্যাকটি শরীরের যেকোনো জায়গায় সাবানের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন।
এ ছাড়া ১৫ দিন অন্তর ফেসিয়াল করাতে পারেন।
ব্ল্যাকহেডস দূর করতে
চালের গুঁড়া পানি দিয়ে বা দুধ দিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে এর সঙ্গে চিনি এবং অ্যাপ্রিকট ফল বাটা মিশিয়ে একটি দানাদার প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি মুখে লাগান। শুকিয়ে যাওয়ার পর ভেজা তোয়ালে দিয়ে ঘষে তুলে ফেলুন।
এই গরমে ত্বকের নানা সমস্যা তো হতেই পারে। আর যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের ভোগান্তি যেন আরও বেশি। ঘামের কারণে কমবেশি সবারই হয় অস্বস্তি, আবার গরমে তৈলাক্ত ত্বকে বাইরের ধুলা-ময়লা আটকে গিয়েও সমস্যা হতে পারে। ব্রণের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। আর মেক–আপের ব্যাপারেও থাকতে হয় সতর্ক।
তৈলাক্ত ত্বকে প্রসাধনী ব্যবহার এবং এ ধরনের ত্বকের যত্ন প্রসঙ্গে পরামর্শ দিয়েছেন রূপবিশেষজ্ঞ ফারজানা শাকিল। জেনে নিন তাঁর পরামর্শ—

ত্বক রাখুন পরিষ্কার

 নিয়মিত মুখের ত্বক পরিষ্কার করুন। ঘাম ও মুখের তৈলাক্ত ভাবের কারণে অস্বস্তি হয় বলে নিজের সুবিধামতো সময়ে বারবার মুখ ধুয়ে নিতে চেষ্টা করুন।
 মুখ ধোয়ার পানিতে দু-এক ফোঁটা গোলাপজল মিশিয়ে নিতে পারেন, তাতে সতেজ অনুভূতি পাবেন।
 বাজারে যেসব ফেসওয়াশ কিনতে পাওয়া যায়, তা যদি আপনার ত্বকে মানিয়ে যায়, তবে সেটি ব্যবহার করতে পারেন।
 দিনে অন্তত দুবার গোসল করুন।
 গরম পানিতে নিমপাতা ডুবিয়ে রেখে সেই পানিতে গোসল করতে পারেন, এতে বিভিন্ন জীবাণুর সংক্রমণ থেকে বাঁচবেন।
 নিমযুক্ত সাবানও ব্যবহার করতে পারেন।
 পাউডার ব্যবহার করলেও তা দিন শেষে পরিষ্কার করে ফেলবেন।
মেকআপ হবে যেমন— যে প্রসাধনীই ব্যবহার করুন না কেন, তা হতে হবে ওয়াটার-বেসড বা পানিনির্ভর। অর্থাৎ অয়েল-বেসড বা তেলের প্রাধান্য বেশি এমন কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করা যাবে না।
 ফাউন্ডেশন লাগাতে হবে খুব কম। ফেসপাউডার লাগালে কোনো ক্ষতি নেই।
 এমন আইলাইনার লাগানো উচিত, যেন তা ভিজে গেলেও মুছে না যায়।

ত্বকের ঘরোয়া যত্নমুলতানি মাটি, চন্দনের গুঁড়া, কাগজিলেবুর রস এবং সর তোলা দুধ বা টকদই একত্রে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন ১০-১৫ মিনিট। এতে ত্বকের বাড়তি তেল ও ময়লা বেরিয়ে যাবে। তবে কাগজিলেবুর রস সরাসরি ব্যবহার না করে এটিকে গোলাপজলের সঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে তারপর ব্যবহার করুন। আর চন্দনের পরিবর্তে চাইলে ভিজিয়ে রাখা মসুরের ডাল বেটে নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
খাদ্যাভ্যাসে আনুন পরিবর্তনসুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার খাবেন না। ভাজাপোড়া কম খাবেন। ছোট মাছ, শাকসবজি খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
 প্রচুর পানি পান করুন।
 সকালে ঘুম থেকে উঠেই লেবুপানি পান করতে পারেন।
 উঠতি বয়সীরা লেবুপানির সঙ্গে একটু মধুও যোগ করতে পারেন।
 ফলের রসও পান করতে পারেন।
ব্রণের সমস্যা?ব্রণ সাধারণত একটি নির্দিষ্ট বয়সসীমার মধ্যেই হয়ে থাকে। উঠতি বয়সীদের মধ্যেই এ সমস্যা বেশি দেখা যায়, তবে কখনো কখনো ব্রণের সমস্যা হতে পারে তরুণীদেরও। ব্রণ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল বলেন, ব্রণ থেকে দুই ধরনের সমস্যা হতে পারে। একটি হচ্ছে দাগ এবং অপরটি হচ্ছে ক্ষত সৃষ্টি হওয়া। ব্রণের দাগ প্রসঙ্গে তাঁর মতামত—
 ব্রণ ভালো হয়ে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে এমনিতেই দাগ চলে যায়।
 এমনিতে দাগ না চলে গেলে দাগ দূর করার ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।
 অতিরিক্ত রোদ ও গরমে ব্রণ বেশি হতে পারে।
জেনে নিন
বেসন অথবা মসুরের ডাল বাটার সঙ্গে টকদই, আমন্ড বাদাম, কমলালেবুর খোসা বাটা এবং নিমপাতা বাটা দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করতে পারেন। এটি তৈরি করে ফ্রিজে রেখে কয়েক দিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন। প্যাকটি প্রতিদিন মুখে লাগাবেন এবং ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুছে নেবেন। মুখ ছাড়াও প্যাকটি শরীরের যেকোনো জায়গায় সাবানের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন।
এ ছাড়া ১৫ দিন অন্তর ফেসিয়াল করাতে পারেন।
ব্ল্যাকহেডস দূর করতে
চালের গুঁড়া পানি দিয়ে বা দুধ দিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে এর সঙ্গে চিনি এবং অ্যাপ্রিকট ফল বাটা মিশিয়ে একটি দানাদার প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি মুখে লাগান। শুকিয়ে যাওয়ার পর ভেজা তোয়ালে দিয়ে ঘষে তুলে ফেলুন।

ত্বকের বয়স ১০ বছর কমাতে যা করতে হবে!

বর্তমানে অনেককেই বয়স হয়ে যাওয়ার আগেই ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। এর পেছনের মূল কারণ আমাদেরই খামখেয়ালী অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস, ত্বকের যত্ন এবং আবহাওয়া এই সকল কিছুর কারণেই ত্বকের সুস্থতা বজায় থাকে বা নষ্ট হতে পারে। এছাড়াও বয়স হয়ে গেলে ত্বকে তো বয়সের ছাপ আরও ভালো করেই পড়ে যায়। বয়স হয়ে যাওয়ার পর বয়সের ছাপ পড়া এবং অল্প বয়সেই ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়া দুটোই ভাবিয়ে তোলার মতো। তবে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার কি জানেন? প্রকৃতি সকল সমস্যার সমাধানের উৎস।
বয়স ধরে রাখার চেষ্টা মানুষের আদি থেকে। কিন্তু প্রাকৃতিক নিয়মে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তা ত্বকে ফুটে উঠে। যা আমরা বলিরেখা বলে থাকি। বলিরেখা রোধ করার জন্য কত কিছুই না করে থাকি আমরা। এর কতটুকুই বা কার্যকর হয়ে থাকে !প্রকৃতি আমাদের এমন কিছু উপাদান দিয়েছে যা এই সমস্যারও সমাধানে কার্যকরী। আজকে আপনার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো এমনই একটি পদ্ধতির যা আপনার ত্বকের বয়স প্রায় ১০ বছর কমিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, প্রকৃতি আমাদের জন্য এতো অসাধারণ সমাধান রেখেছে। চলুন তাহলে শিখে নেয়া যাক এমন একটি জাদুকরী পদ্ধতি যা আপনার ত্বকের বয়স কমিয়ে দেবে প্রায় ১০ বছর।

সারা বিশ্বের সুন্দরী নারীদের মধ্যে জাপানিজরা অন্যতম। নিখুঁত, তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের জন্য তারা সারাবিশ্বে সমাদৃত। এমনকি কোন এক জাদুকরী কৌশলে তারা ত্বকের বলিরেখা পড়া রোধ করতে সক্ষম হয়েছে! তাদের এই তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের রহস্যটি কি? এক্সফলিয়েট, লেজার ট্রিটমেন্ট নাকি কোন বিউটি ট্রিটমেন্ট? তাদের এই সৌন্দর্যের সকল রহস্য নিহিত আছে একটি মাত্র সাধারণ উপকরণে। আর তা হল ভাত! কি অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই তারা ত্বক এবং চুলের যত্নে ভাত ব্যবহার করে থাকেন। ভাতের মাড় দিয়ে তারা চুল ধুয়ে থাকেন, চুল নরম, কোমল সুন্দর করার জন্য। ত্বকের বলিরেখা রোধ করার জন্য এমনি এক ভাতের প্যাক ব্যবহার করে থাকেন তারা।

যা যা লাগবে
২-৩ টেবিল চামচ সিদ্ধ ভাত
১ টেবিল চামচ মধু
১ টেবিল চামচ দুধ

যেভাবে তৈরি করবেন:

১। প্রথমে ৩ কাপ ঠান্ডা পানিতে চাল ধুয়ে সিদ্ধ মাঝারি আঁচে সিদ্ধ করতে দিন। চাল সিদ্ধ হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।

২। এবার ভাত ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে চটকে নিন। এর সাথে গরম দুধ এবং মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।

৩। এখন প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে নিন।

৪। ৩০- ৪০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ভাতের মাড় দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৫। এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

টিপস:

১। এই ভাতের মাড় ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন ৪ দিন পর্যন্ত। এছাড়া বরফ তৈরি করে নিতে পারেন ভাতের মাড় দিয়ে। এই বরফ দিনে দুইবার ব্যবহার করতে পারেন।

ভাবছেন এই পদ্ধতিটি কীভাবে কমাবে ত্বকের বয়স? চলুন তাহলে জানিয়ে দিই এই ফেসমাস্কটির কার্যকারণ :
* চালের মধ্যে রয়েছে ত্বকের ক্ষতিপূরণের অসাধারণ গুণ যা ত্বকের কোলাজেন টিস্যুর ক্ষতি পূরণ করে দিতে সক্ষম। চালের লিনোলেইক এসিড এবং স্কোয়ালেন নামক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ক্ষতি পূরণ করে এবং কোলাজেন টিস্যুর সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে।

* স্কোয়ালেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টটি ত্বক থেকে সূর্যরশ্মির মাধ্যমে হওয়া ক্ষতি পূরণেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে এবং ত্বকে সূর্যরশ্মির কারণে পড়া রিংকেল দূর করতেও সহায়তা করে।

* চাল ত্বকের সার্বিক উন্নতিতে বিশেষভাবে কার্যকরী যার ফলে ত্বকের বয়সের ছাপ, রিংকেল এবং কোলাজেন টিস্যুর ক্ষতি পূরণ করে খুবই দ্রুত। এছাড়াও মধু ও দুধের গুণাগুণ তো রয়েছেই। আর একারণেই ত্বকের বয়স কমিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে এই মাস্কটি।
বর্তমানে অনেককেই বয়স হয়ে যাওয়ার আগেই ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। এর পেছনের মূল কারণ আমাদেরই খামখেয়ালী অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস, ত্বকের যত্ন এবং আবহাওয়া এই সকল কিছুর কারণেই ত্বকের সুস্থতা বজায় থাকে বা নষ্ট হতে পারে। এছাড়াও বয়স হয়ে গেলে ত্বকে তো বয়সের ছাপ আরও ভালো করেই পড়ে যায়। বয়স হয়ে যাওয়ার পর বয়সের ছাপ পড়া এবং অল্প বয়সেই ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়া দুটোই ভাবিয়ে তোলার মতো। তবে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার কি জানেন? প্রকৃতি সকল সমস্যার সমাধানের উৎস।
বয়স ধরে রাখার চেষ্টা মানুষের আদি থেকে। কিন্তু প্রাকৃতিক নিয়মে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তা ত্বকে ফুটে উঠে। যা আমরা বলিরেখা বলে থাকি। বলিরেখা রোধ করার জন্য কত কিছুই না করে থাকি আমরা। এর কতটুকুই বা কার্যকর হয়ে থাকে !প্রকৃতি আমাদের এমন কিছু উপাদান দিয়েছে যা এই সমস্যারও সমাধানে কার্যকরী। আজকে আপনার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো এমনই একটি পদ্ধতির যা আপনার ত্বকের বয়স প্রায় ১০ বছর কমিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, প্রকৃতি আমাদের জন্য এতো অসাধারণ সমাধান রেখেছে। চলুন তাহলে শিখে নেয়া যাক এমন একটি জাদুকরী পদ্ধতি যা আপনার ত্বকের বয়স কমিয়ে দেবে প্রায় ১০ বছর।

সারা বিশ্বের সুন্দরী নারীদের মধ্যে জাপানিজরা অন্যতম। নিখুঁত, তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের জন্য তারা সারাবিশ্বে সমাদৃত। এমনকি কোন এক জাদুকরী কৌশলে তারা ত্বকের বলিরেখা পড়া রোধ করতে সক্ষম হয়েছে! তাদের এই তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের রহস্যটি কি? এক্সফলিয়েট, লেজার ট্রিটমেন্ট নাকি কোন বিউটি ট্রিটমেন্ট? তাদের এই সৌন্দর্যের সকল রহস্য নিহিত আছে একটি মাত্র সাধারণ উপকরণে। আর তা হল ভাত! কি অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই তারা ত্বক এবং চুলের যত্নে ভাত ব্যবহার করে থাকেন। ভাতের মাড় দিয়ে তারা চুল ধুয়ে থাকেন, চুল নরম, কোমল সুন্দর করার জন্য। ত্বকের বলিরেখা রোধ করার জন্য এমনি এক ভাতের প্যাক ব্যবহার করে থাকেন তারা।

যা যা লাগবে
২-৩ টেবিল চামচ সিদ্ধ ভাত
১ টেবিল চামচ মধু
১ টেবিল চামচ দুধ

যেভাবে তৈরি করবেন:

১। প্রথমে ৩ কাপ ঠান্ডা পানিতে চাল ধুয়ে সিদ্ধ মাঝারি আঁচে সিদ্ধ করতে দিন। চাল সিদ্ধ হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।

২। এবার ভাত ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে চটকে নিন। এর সাথে গরম দুধ এবং মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।

৩। এখন প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে নিন।

৪। ৩০- ৪০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ভাতের মাড় দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৫। এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

টিপস:

১। এই ভাতের মাড় ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন ৪ দিন পর্যন্ত। এছাড়া বরফ তৈরি করে নিতে পারেন ভাতের মাড় দিয়ে। এই বরফ দিনে দুইবার ব্যবহার করতে পারেন।

ভাবছেন এই পদ্ধতিটি কীভাবে কমাবে ত্বকের বয়স? চলুন তাহলে জানিয়ে দিই এই ফেসমাস্কটির কার্যকারণ :
* চালের মধ্যে রয়েছে ত্বকের ক্ষতিপূরণের অসাধারণ গুণ যা ত্বকের কোলাজেন টিস্যুর ক্ষতি পূরণ করে দিতে সক্ষম। চালের লিনোলেইক এসিড এবং স্কোয়ালেন নামক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ক্ষতি পূরণ করে এবং কোলাজেন টিস্যুর সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে।

* স্কোয়ালেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টটি ত্বক থেকে সূর্যরশ্মির মাধ্যমে হওয়া ক্ষতি পূরণেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে এবং ত্বকে সূর্যরশ্মির কারণে পড়া রিংকেল দূর করতেও সহায়তা করে।

* চাল ত্বকের সার্বিক উন্নতিতে বিশেষভাবে কার্যকরী যার ফলে ত্বকের বয়সের ছাপ, রিংকেল এবং কোলাজেন টিস্যুর ক্ষতি পূরণ করে খুবই দ্রুত। এছাড়াও মধু ও দুধের গুণাগুণ তো রয়েছেই। আর একারণেই ত্বকের বয়স কমিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে এই মাস্কটি।

বিয়ের আগে যে বিষয়গুলো আপনার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ!

আপনাদের হয়তো অনেক দিনের সম্পর্ক। খুব ভালো করে চেনেন একে অন্যকে। তো কী মনে হচ্ছে? বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এ-ই যথেষ্ট, নাকি আরেকটু ভাবনার রয়েছে বাকি? বিয়ে অনেক বড় একটি বিষয়। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু ভালোমতো ভেবে নেওয়া খবই জরুরি।
বিয়ে করার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি, তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে আইডিভা ওয়েবসাইটে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
সে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ?
বিয়ের আগে ভালো করে খেয়াল করুন সে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই বিষয়ে কোনো দ্বিধা থাকলে বিয়ে না করাটাই ভালো।
সঙ্গীর পরিবার
বিয়ের আগে সঙ্গীর পরিবারের সঙ্গে একবার হলেও দেখা করে নিন। তাহলে বিয়ের কথা শুরুর হওয়ার আগে আপনি বুঝতে পারলেন তাঁরা কেমন ধরনের মানুষ। এতে সব কথাবার্তা মানাতে সহজ হবে।  
সঙ্গীর বন্ধু
যদি আপনি এতদিনে তাঁদের সঙ্গে দেখা না করেন, তাহলে আজই দেখা করে নিন। কারণ বিয়ের আগে সঙ্গীর বন্ধুর সঙ্গে দেখা করা খুবই জরুরি। সে আসলে কেমন মানুষ, সেটা বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হলেই বুঝতে পারবেন।  
সঙ্গীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বিয়ের পর সুখে থাকতে চাইলে আগে জেনে নিতে হবে সঙ্গীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী। এতে পরবর্তীতে সে আপনাকে বা আপনি তাকে দোষারোপ করতে না পারেন, সে বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে গেল!
আপনাকে কতটুকু সম্মান করে
প্রতিটি সম্পর্কে সম্মান থাকাটা খুবই জরুরি। তাই বিয়ের আগে ভালো করে খেয়াল করুন সে আপনাকে কতটুকু সম্মান দিচ্ছে। এই বিষয়ে ঘাটতি থাকলে সংসারে কখনোই সুখী হতে পারবেন না।
আপনার সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেয় কি না
যে বিয়ের আগে আপনার সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেয়, সে বিয়ের পরও দেবে। তাই এমন মানুষকে চোখ বন্ধ করে বিয়ে করে ফেলুন। আর এমনটা যদি না হয়, তাহলে ভাবুন, ভাবুন, আরো ভাবুন!
ঝগড়া কীভাবে সামলায়
ঝগড়া হওয়ার পর সে বিষয়টাকে কীভাবে সামলে নেয়, ভালো করে খেয়াল করুন। যদি দেখেন আপনার ওপর সব দোষ চাপিয়ে নিজে ভালো সাজে, তাহলে তাকে বিয়ে করাটা ঠিক হবে না। কারণ বিবাহিত জীবনেও সে এমনটাই করবে।
অর্থনৈতিক অবস্থা
বিয়ের আগে সঙ্গীর অর্থনৈতিক অবস্থার কথা ভালো করে জেনে নিন। কারণ প্রেমের সময় এটা না জানলেও চলে কিন্তু বিয়ের সময় না জানলে পরে আফসোস করতে হতে পারে।
Source:Ntv
আপনাদের হয়তো অনেক দিনের সম্পর্ক। খুব ভালো করে চেনেন একে অন্যকে। তো কী মনে হচ্ছে? বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এ-ই যথেষ্ট, নাকি আরেকটু ভাবনার রয়েছে বাকি? বিয়ে অনেক বড় একটি বিষয়। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু ভালোমতো ভেবে নেওয়া খবই জরুরি।
বিয়ে করার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি, তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে আইডিভা ওয়েবসাইটে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
সে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ?
বিয়ের আগে ভালো করে খেয়াল করুন সে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই বিষয়ে কোনো দ্বিধা থাকলে বিয়ে না করাটাই ভালো।
সঙ্গীর পরিবার
বিয়ের আগে সঙ্গীর পরিবারের সঙ্গে একবার হলেও দেখা করে নিন। তাহলে বিয়ের কথা শুরুর হওয়ার আগে আপনি বুঝতে পারলেন তাঁরা কেমন ধরনের মানুষ। এতে সব কথাবার্তা মানাতে সহজ হবে।  
সঙ্গীর বন্ধু
যদি আপনি এতদিনে তাঁদের সঙ্গে দেখা না করেন, তাহলে আজই দেখা করে নিন। কারণ বিয়ের আগে সঙ্গীর বন্ধুর সঙ্গে দেখা করা খুবই জরুরি। সে আসলে কেমন মানুষ, সেটা বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হলেই বুঝতে পারবেন।  
সঙ্গীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বিয়ের পর সুখে থাকতে চাইলে আগে জেনে নিতে হবে সঙ্গীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী। এতে পরবর্তীতে সে আপনাকে বা আপনি তাকে দোষারোপ করতে না পারেন, সে বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে গেল!
আপনাকে কতটুকু সম্মান করে
প্রতিটি সম্পর্কে সম্মান থাকাটা খুবই জরুরি। তাই বিয়ের আগে ভালো করে খেয়াল করুন সে আপনাকে কতটুকু সম্মান দিচ্ছে। এই বিষয়ে ঘাটতি থাকলে সংসারে কখনোই সুখী হতে পারবেন না।
আপনার সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেয় কি না
যে বিয়ের আগে আপনার সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেয়, সে বিয়ের পরও দেবে। তাই এমন মানুষকে চোখ বন্ধ করে বিয়ে করে ফেলুন। আর এমনটা যদি না হয়, তাহলে ভাবুন, ভাবুন, আরো ভাবুন!
ঝগড়া কীভাবে সামলায়
ঝগড়া হওয়ার পর সে বিষয়টাকে কীভাবে সামলে নেয়, ভালো করে খেয়াল করুন। যদি দেখেন আপনার ওপর সব দোষ চাপিয়ে নিজে ভালো সাজে, তাহলে তাকে বিয়ে করাটা ঠিক হবে না। কারণ বিবাহিত জীবনেও সে এমনটাই করবে।
অর্থনৈতিক অবস্থা
বিয়ের আগে সঙ্গীর অর্থনৈতিক অবস্থার কথা ভালো করে জেনে নিন। কারণ প্রেমের সময় এটা না জানলেও চলে কিন্তু বিয়ের সময় না জানলে পরে আফসোস করতে হতে পারে।
Source:Ntv

কনের সাজ ও কিছু কথা

বিয়ে প্রতিটি মেয়ের জীবনেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। অন্যরকম একটি মুহূর্ত। এ সময় সবাই চায় নিজেকে সুন্দর করে তুলতে। আর এর জন্য চাই পূর্ব প্রস্তুতি। বিয়ের কেন্দ্রীয় আকর্ষণই কনে। নতুন জীবনে প্রবেশের সময় প্রিয় মুহূর্তগুলোতে আমরা প্রত্যেকেই চাই নিজেকে সবচেয়ে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে। যতই ব্যস্ততা থাকুক বিয়ের অন্তত ১৫ দিন আগে থেকে পার্লারে বা ঘরোয়া উপায়ে রূপচর্চা শুরু করা উচিত। পাশাপাশি কনের সাজকে অতুলনীয় ও প্রাণবন্ত করে তুলতে রূপসজ্জার সঙ্গে সঠিক ডায়েট করতে হবে। বিয়ের প্রস্তুতিতে শুধু রূপ নয় ব্যক্তিত্বেরও যেন প্রতিফলন ঘটে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। বিয়ের আগে প্রয়োজন ত্বকের সঠিক যত্ন। তাই কনের সামনে থাকতে হবে একটি গাইডলাইন। ত্বক এবং চুলের বাড়তি যত্ন এ সময় অতি জরুরি।
ত্বকের যত্নঃ ত্বক পরিষ্কার,  টান টান ভাব বজায় এবং উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ফেসিয়ালের কোনও বিকল্প নেই। ত্বকের ধরন অনুযায়ী এর পরিচর্যায় ফেসিয়াল এক কার্যকর উপায়। তাই বিয়ের দিনক্ষণ  ঠিক হলে ভালো পার্লারে গিয়ে দক্ষ হাতে ফেসিয়াল করে নিন। ফেসিয়াল করতে হবে অন্তত ১ মাস আগে। তারপর ১৫ দিন পর আবার ম্যাসাজ করে নিন। ব্লিচ করে নিন। কারণ বিয়ের আগে স্বাভাবিকভাবেই নানা টেনশনের কারণে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারায়। এ কারণেই ত্বকের নিয়মিত যত্ন নিতে হবে। আর ফেসিয়াল সহ নানা ধরনের ম্যাসাজ ত্বকের আর্দ্র্রতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। তবে শুধু পার্লারে গিয়ে ত্বকের যত্ন নিলেই হবে না, অবসর সময়ে ঘরে বসে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বক পরিচর্যা করতে হবে। ত্বকের যত্নে আলু এবং শসার রস খুব উপকারী। আলু এবং শসার রস একসঙ্গে মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে বেশ  কয়েকদিন পর্যন্ত সেটা ব্যবহার করতে পারেন।

চোখের উজ্জ্বলতা বাড়াতেঃ প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। এতে চোখের নিচের কালি দূর হবে। শসা ও আলুর রস গোলাপজলে মিশিয়ে ফ্রিজে ঠাণ্ডা করে নিয়ে তুলায় ভিজিয়ে চোখে দিতে হবে। এভাবে কিছুদিন মিশ্রণটি চোখে লাগালে চোখের উজ্জ্বলতা বাড়বে। চোখের ফোলা ভাব দূর করতে চোখের কাছে আমন্ড তেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর পাকা কলা ও পেঁপে পাতলা করে কেটে চোখে দিয়ে রাখতে হবে। এতে চোখের ফোলা ভাব কমবে।
মুখের দাগ দূর করতেঃ ব্রণের দাগ কমাতে নিম এবং চন্দন বাটা একসঙ্গে মেখে ত্বকে লাগাতে হবে। ত্বকে যদি পোড়া দাগ থাকে তবে মসুর ডালের গুঁড়ো, কাঁচা দুধ, আলুর রস পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে। ২০ মিনিট পর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। মুখে কালো ছোপ বা মেছতার দাগ দূর করতে হলে কাঁচা দুধ, তুলসীপাতার রস, ময়দা পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে।
ঠোঁটের যত্নঃ ঠোঁটের জন্য আমন্ড তেল, দুধের সর ও মধু মিশিয়ে লাগানো যেতে পারে। ঘাড় ও পিঠের কালো ছোপ দূর করতে মসুর ডাল বাটা, দই এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ঘাড় ও পিঠে লাগিয়ে রাখতে হবে। আধ ঘণ্টা পর আলতো করে ঘষে তুলে ফেলতে হবে।
হাত-পায়ের যত্নঃ হাত-পা কোমল রাখতে ভ্যাসলিন ও গ্লিসারিন মিশিয়ে লাগাতে হবে। হাত-পায়ের কালো ছোপ দূর করতে পাতিলেবুর রস ও চিনি মিশিয়ে লাগাতে হবে। এরপর পাতি লেবুর ছাল ঘষতে হবে যতক্ষণ না চিনি গলে যায়। মাসে অন্তত দুবার মেনিকিউর ও পেডিকিউর করতে হবে। বাড়িতে করতে হলে প্রথমে গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা শ্যাম্পু মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখতে হবে। ১০ মিনিট পর ভালো করে ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিতে হবে। এরপর পা ধুয়ে ভ্যাসলিন, স্ট্রবেরির শাঁস ও দুধের মাঠা মিশিয়ে লাগাতে হবে। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে। কনুই বা হাঁটুর কালো দাগ দূর করতে সপ্তাহে দুদিন পাকা পাতিলেবু ও চিনি মিশিয়ে ঘষতে হবে যতক্ষণ না চিনি গলে যায়। এরপর গ্লিসারিন, নারিকেল তেল ও পাতিলেবুর রস মিশিয়ে লাগাতে হবে। নখে যদি হলদেটে ভাব থাকে তবে পাতিলেবুর রস লাগিয়ে ব্রাশ করে নিতে হবে।
চুলের যত্নঃ তেলের সঙ্গে জবাফুল এবং আমলকি দিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। তেল ঠাণ্ডা হলে ছেকে রেখে দিন। এই তেল ব্যবহারে আপনার চুল পড়া বন্ধ হবে। আর এই কয়েক দিনেই চুল হবে কোমল, মসৃণ। এছাড়াও এক চা চামচ মধু ও যে কোনো ব্র্যান্ডের এক চা চামচ তেল একসঙ্গে মিশিয়ে তুলা দিয়ে মাথায় মাখতে হবে। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। চুল ভালো রাখতে নিয়মিত ভিটামিন ই ক্যাপ খাওয়া যেতে পারে। যদি শুষ্ক ও রুক্ষ চুল হয় তবে এক কাপ মাঠা তোলা দুধে একটা ডিম ভালো করে ফেটিয়ে মাথার স্কাল্পে লাগাতে হবে। ১০ মিনিট পর চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। তৈলাক্ত চুলের জন্য দুই মুঠ পুদিনা পাতা আধা গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। মিশ্রণটি ২০ মিনিট ফোটাতে হবে। এরপর ৩০০ গ্রাম শ্যাম্পুর সঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে পরে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এছাড়াও পার্লারে গিয়ে এই কন্ডিশনিং ম্যাসাজ ও মেহেদি ট্রিটমেন্ট করা যেতে পারে।
খাওয়া-দাওয়াঃ খাবারের ক্ষেত্রে বেশি বেশি ভিটামিনযুক্ত খাবার যেমন ভিটামিন ‘এ’ ও ‘বি’ আছে এমন ধরনের খাবার খেতে হবে। অতিরিক্ত পানি, শাকসবজি, দুধ, দই, পনির, টমেটো, গাজর খেতে হবে। এগুলো ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে এবং চুলকে সুন্দর করবে। ভাজাপোড়া যথাসম্ভব না খাওয়াই ভালো এ সময়। প্রচুর পরিমাণে পানি, ফলের রস ও তাজা ফলমূল খেতে হবে।
চাপমুক্ত থাকুনঃ সারাক্ষণ মানসিক চাপ আমাদের শরীর, মন এবং ত্বকের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।  মানসিক চাপমুক্ত থাকুন। বিয়ের আগে এবং পরে আমাদের জীবনে বেশ বড় পরিবর্তন হয়। তাই এই সময়টি পরিবারের সবার সঙ্গে উপভোগ করুন।
বিয়ে প্রতিটি মেয়ের জীবনেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। অন্যরকম একটি মুহূর্ত। এ সময় সবাই চায় নিজেকে সুন্দর করে তুলতে। আর এর জন্য চাই পূর্ব প্রস্তুতি। বিয়ের কেন্দ্রীয় আকর্ষণই কনে। নতুন জীবনে প্রবেশের সময় প্রিয় মুহূর্তগুলোতে আমরা প্রত্যেকেই চাই নিজেকে সবচেয়ে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে। যতই ব্যস্ততা থাকুক বিয়ের অন্তত ১৫ দিন আগে থেকে পার্লারে বা ঘরোয়া উপায়ে রূপচর্চা শুরু করা উচিত। পাশাপাশি কনের সাজকে অতুলনীয় ও প্রাণবন্ত করে তুলতে রূপসজ্জার সঙ্গে সঠিক ডায়েট করতে হবে। বিয়ের প্রস্তুতিতে শুধু রূপ নয় ব্যক্তিত্বেরও যেন প্রতিফলন ঘটে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। বিয়ের আগে প্রয়োজন ত্বকের সঠিক যত্ন। তাই কনের সামনে থাকতে হবে একটি গাইডলাইন। ত্বক এবং চুলের বাড়তি যত্ন এ সময় অতি জরুরি।
ত্বকের যত্নঃ ত্বক পরিষ্কার,  টান টান ভাব বজায় এবং উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ফেসিয়ালের কোনও বিকল্প নেই। ত্বকের ধরন অনুযায়ী এর পরিচর্যায় ফেসিয়াল এক কার্যকর উপায়। তাই বিয়ের দিনক্ষণ  ঠিক হলে ভালো পার্লারে গিয়ে দক্ষ হাতে ফেসিয়াল করে নিন। ফেসিয়াল করতে হবে অন্তত ১ মাস আগে। তারপর ১৫ দিন পর আবার ম্যাসাজ করে নিন। ব্লিচ করে নিন। কারণ বিয়ের আগে স্বাভাবিকভাবেই নানা টেনশনের কারণে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারায়। এ কারণেই ত্বকের নিয়মিত যত্ন নিতে হবে। আর ফেসিয়াল সহ নানা ধরনের ম্যাসাজ ত্বকের আর্দ্র্রতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। তবে শুধু পার্লারে গিয়ে ত্বকের যত্ন নিলেই হবে না, অবসর সময়ে ঘরে বসে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বক পরিচর্যা করতে হবে। ত্বকের যত্নে আলু এবং শসার রস খুব উপকারী। আলু এবং শসার রস একসঙ্গে মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে বেশ  কয়েকদিন পর্যন্ত সেটা ব্যবহার করতে পারেন।

চোখের উজ্জ্বলতা বাড়াতেঃ প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। এতে চোখের নিচের কালি দূর হবে। শসা ও আলুর রস গোলাপজলে মিশিয়ে ফ্রিজে ঠাণ্ডা করে নিয়ে তুলায় ভিজিয়ে চোখে দিতে হবে। এভাবে কিছুদিন মিশ্রণটি চোখে লাগালে চোখের উজ্জ্বলতা বাড়বে। চোখের ফোলা ভাব দূর করতে চোখের কাছে আমন্ড তেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর পাকা কলা ও পেঁপে পাতলা করে কেটে চোখে দিয়ে রাখতে হবে। এতে চোখের ফোলা ভাব কমবে।
মুখের দাগ দূর করতেঃ ব্রণের দাগ কমাতে নিম এবং চন্দন বাটা একসঙ্গে মেখে ত্বকে লাগাতে হবে। ত্বকে যদি পোড়া দাগ থাকে তবে মসুর ডালের গুঁড়ো, কাঁচা দুধ, আলুর রস পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে। ২০ মিনিট পর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। মুখে কালো ছোপ বা মেছতার দাগ দূর করতে হলে কাঁচা দুধ, তুলসীপাতার রস, ময়দা পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে।
ঠোঁটের যত্নঃ ঠোঁটের জন্য আমন্ড তেল, দুধের সর ও মধু মিশিয়ে লাগানো যেতে পারে। ঘাড় ও পিঠের কালো ছোপ দূর করতে মসুর ডাল বাটা, দই এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ঘাড় ও পিঠে লাগিয়ে রাখতে হবে। আধ ঘণ্টা পর আলতো করে ঘষে তুলে ফেলতে হবে।
হাত-পায়ের যত্নঃ হাত-পা কোমল রাখতে ভ্যাসলিন ও গ্লিসারিন মিশিয়ে লাগাতে হবে। হাত-পায়ের কালো ছোপ দূর করতে পাতিলেবুর রস ও চিনি মিশিয়ে লাগাতে হবে। এরপর পাতি লেবুর ছাল ঘষতে হবে যতক্ষণ না চিনি গলে যায়। মাসে অন্তত দুবার মেনিকিউর ও পেডিকিউর করতে হবে। বাড়িতে করতে হলে প্রথমে গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা শ্যাম্পু মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখতে হবে। ১০ মিনিট পর ভালো করে ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিতে হবে। এরপর পা ধুয়ে ভ্যাসলিন, স্ট্রবেরির শাঁস ও দুধের মাঠা মিশিয়ে লাগাতে হবে। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে। কনুই বা হাঁটুর কালো দাগ দূর করতে সপ্তাহে দুদিন পাকা পাতিলেবু ও চিনি মিশিয়ে ঘষতে হবে যতক্ষণ না চিনি গলে যায়। এরপর গ্লিসারিন, নারিকেল তেল ও পাতিলেবুর রস মিশিয়ে লাগাতে হবে। নখে যদি হলদেটে ভাব থাকে তবে পাতিলেবুর রস লাগিয়ে ব্রাশ করে নিতে হবে।
চুলের যত্নঃ তেলের সঙ্গে জবাফুল এবং আমলকি দিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। তেল ঠাণ্ডা হলে ছেকে রেখে দিন। এই তেল ব্যবহারে আপনার চুল পড়া বন্ধ হবে। আর এই কয়েক দিনেই চুল হবে কোমল, মসৃণ। এছাড়াও এক চা চামচ মধু ও যে কোনো ব্র্যান্ডের এক চা চামচ তেল একসঙ্গে মিশিয়ে তুলা দিয়ে মাথায় মাখতে হবে। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। চুল ভালো রাখতে নিয়মিত ভিটামিন ই ক্যাপ খাওয়া যেতে পারে। যদি শুষ্ক ও রুক্ষ চুল হয় তবে এক কাপ মাঠা তোলা দুধে একটা ডিম ভালো করে ফেটিয়ে মাথার স্কাল্পে লাগাতে হবে। ১০ মিনিট পর চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। তৈলাক্ত চুলের জন্য দুই মুঠ পুদিনা পাতা আধা গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। মিশ্রণটি ২০ মিনিট ফোটাতে হবে। এরপর ৩০০ গ্রাম শ্যাম্পুর সঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে পরে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এছাড়াও পার্লারে গিয়ে এই কন্ডিশনিং ম্যাসাজ ও মেহেদি ট্রিটমেন্ট করা যেতে পারে।
খাওয়া-দাওয়াঃ খাবারের ক্ষেত্রে বেশি বেশি ভিটামিনযুক্ত খাবার যেমন ভিটামিন ‘এ’ ও ‘বি’ আছে এমন ধরনের খাবার খেতে হবে। অতিরিক্ত পানি, শাকসবজি, দুধ, দই, পনির, টমেটো, গাজর খেতে হবে। এগুলো ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে এবং চুলকে সুন্দর করবে। ভাজাপোড়া যথাসম্ভব না খাওয়াই ভালো এ সময়। প্রচুর পরিমাণে পানি, ফলের রস ও তাজা ফলমূল খেতে হবে।
চাপমুক্ত থাকুনঃ সারাক্ষণ মানসিক চাপ আমাদের শরীর, মন এবং ত্বকের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।  মানসিক চাপমুক্ত থাকুন। বিয়ের আগে এবং পরে আমাদের জীবনে বেশ বড় পরিবর্তন হয়। তাই এই সময়টি পরিবারের সবার সঙ্গে উপভোগ করুন।

বিয়ের আগে রূপচর্চা - নব বধুদের জন্য

বিয়ে নিয়ে সব মেয়ের-ই নিজস্ব স্বপ্ন থাকে। সামনে বিয়ে, আপনার ত্বক অবশ্যই সবার মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাইবে। তাই দরকার পড়ে বাড়তি রূপচর্চার। কারণ সব মেয়েই চায় বিয়ের দিন তাকে পৃথিবীর সব চাইতে সুন্দরী মেয়ে লাগুক। আপনার রূপসজ্জা তখনি সুন্দর লাগবে যখন স্কিন লাবণ্যময়ী থাকবে, কোন মরা কোষ থাকবে না। কিছু রূপচর্চা আপনার জীবনের সব চেয়ে বড় দিনে নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। আপনার রূপসজ্জা তখনি সুন্দর লাগবে যখন আপনার স্কিন লাবণ্যময়ী থাকবে, কোন মরা কোষ থাকবে না। স্কিন এ সুন্দর করে মেকআপ বসবে। সামনে আসছে বিয়ের মৌসুম। তো এখনি হয়ে যাক কিছু টিপস, যারা নতুন বউ হবে তাদের জন্য।
বিয়ের ৩ মাস আগে থেকেঃ.
১। বিয়ের আগে মেয়েদের প্রচুর স্ট্রেস যায়, থাকে অতিরিক্ত দুচিন্তা নতুন জীবন নিয়ে, রাত জাগা, রোদে পুরে শপিং করা। তাতে করে শরীর থেকে আয়রন, ভিটামিন স্বল্পতা দেখা দেয়। প্রতিদিন রাতে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, আয়রন ট্যাবলেট নেওয়া উচিত। এতে করে চুল পড়া কমবে, মুখে বাড়তি স্ট্রেস এর ছাপ পড়বে না, ত্বক ফ্রেশ দেখাবে।
২। একটা স্কিন রুটিনে চলে আশা উচিত। সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালো করে মুখ ধোয়া, টনিং করা, ভালো দেখে ডে ক্রিম লাগানো, বাইরে গেলে সানস্ক্রিন লোশান্ লাগানো। রাতে একটা নাইট ক্রিম দেওয়া। বাজারে অনেক ধরনের নাইট ক্রিম পাওয়া যায়। oley , ponds নাইট ক্রিম বাংলাদেশের জন্য ভালো। রাতে আই ক্রিম লাগাতে একদম এ ভুলবেন না। সপ্তাহে ২দিন চুলে তেল দিবেন।
৩। যার কাছে সাজবেন তাকে আগেই বুকিং দিয়ে রাখুন। মনে রাখবেন লাস্ট সময়ের জন্য কিছুই ফেলে রাখবেন না।
৪। প্রতি মাসে একবার পারলার এ গিয়ে নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফেসিয়াল করাবেন, সপ্তাহে একবার পেডিকিউর, মেনিকিউর করাবেন। মাসে দুইবার হট অয়েল মেসেজ এবং একবার প্রোটিন প্যাক লাগাবেন। এতে করে চুল এ খুশকি হবে না, চুল নরম থাকবে। ভ্রু প্লাক না করিয়ে বড় করুন, বিয়ের আগে নতুন করে ভ্রুর শেপ দিন।
৫। যদি আপনার বাহুর নিচে কালো দাগ থাকে, প্রতিদিন লেবু দিয়ে ঘষবেন, ঠোটে থাকলে কাঁচা দুধ দিয়ে ঘসবেন, কালো দাগ চলে যাবে।
বিয়ের ১ মাস আগেঃ
১। কোন দুচিন্তা না করে, বিয়ের পরের সুন্দর জীবন, নতুন জীবন এর কথা ভাববেন। কি করে জীবনটাকে উপভোগ্য করা যায় সেটা ভাববেন। মোট কথা সুন্দর চিন্তা করবেন।
২। বিয়ের আগে লাস্ট ফেসিয়াল করিয়ে ফেলুন। চুল একটু ছেঁটে নিতে পারেন।
৩। রেগুলার মুখে প্যাক লাগাবেন।
৪। প্রতিদিন রাতে দুধের সাথে কাঁচা হলুদ মিক্স করে খাবেন। এতে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল হবে। প্রচুর পরিমাণে পানি খাবেন, কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে ইসবগুলের ভুসি খাবেন।
৫। এই সময় স্কিন নিয়ে কোন পরীক্ষা নিরিক্ষা না করাই ভালো, যা আগে থেকে ব্যবহার করতেন সেটা করাই ভালো। নতুন কিছু ট্রাই করা উচিত না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।
৬। যাকে দিয়ে মেহেদি লাগাবেন তাকে বুক করে ফেলুন। আজকাল মেহেদি কনের একটা আকর্ষণীও পার্ট।
১ সপ্তাহ আগেঃ
১। বিয়ের ফেসিয়াল টি করে ফেলুন, সেটা হতে পারে গোল্ড, ব্রাইডাল ফেসিয়াল। পেডিকিউর, মেনিকিউর করিয়ে ফেলুন। চুল স্পা করাতে পারেন।
২। নিজেকে রিলাক্স রাখুন। বাইরে বের না হয়ে ঘরে থাকুন।
৩। প্রচুর পানি পান করুন।
৪। ভ্রু প্লাক করে ফেলুন।
৫। বিয়ের আগের এই কটা দিন প্রতিদিন হলুদ আর বেসন এর প্যাক সারা গায়ে লাগাবেন। শুকিয়ে গেলে উঠিয়ে গোসল করে ফেলবেন। এতে করে শরীর সুন্দর হবে।
বিয়ে নিয়ে সব মেয়ের-ই নিজস্ব স্বপ্ন থাকে। সামনে বিয়ে, আপনার ত্বক অবশ্যই সবার মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাইবে। তাই দরকার পড়ে বাড়তি রূপচর্চার। কারণ সব মেয়েই চায় বিয়ের দিন তাকে পৃথিবীর সব চাইতে সুন্দরী মেয়ে লাগুক। আপনার রূপসজ্জা তখনি সুন্দর লাগবে যখন স্কিন লাবণ্যময়ী থাকবে, কোন মরা কোষ থাকবে না। কিছু রূপচর্চা আপনার জীবনের সব চেয়ে বড় দিনে নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। আপনার রূপসজ্জা তখনি সুন্দর লাগবে যখন আপনার স্কিন লাবণ্যময়ী থাকবে, কোন মরা কোষ থাকবে না। স্কিন এ সুন্দর করে মেকআপ বসবে। সামনে আসছে বিয়ের মৌসুম। তো এখনি হয়ে যাক কিছু টিপস, যারা নতুন বউ হবে তাদের জন্য।
বিয়ের ৩ মাস আগে থেকেঃ.
১। বিয়ের আগে মেয়েদের প্রচুর স্ট্রেস যায়, থাকে অতিরিক্ত দুচিন্তা নতুন জীবন নিয়ে, রাত জাগা, রোদে পুরে শপিং করা। তাতে করে শরীর থেকে আয়রন, ভিটামিন স্বল্পতা দেখা দেয়। প্রতিদিন রাতে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, আয়রন ট্যাবলেট নেওয়া উচিত। এতে করে চুল পড়া কমবে, মুখে বাড়তি স্ট্রেস এর ছাপ পড়বে না, ত্বক ফ্রেশ দেখাবে।
২। একটা স্কিন রুটিনে চলে আশা উচিত। সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালো করে মুখ ধোয়া, টনিং করা, ভালো দেখে ডে ক্রিম লাগানো, বাইরে গেলে সানস্ক্রিন লোশান্ লাগানো। রাতে একটা নাইট ক্রিম দেওয়া। বাজারে অনেক ধরনের নাইট ক্রিম পাওয়া যায়। oley , ponds নাইট ক্রিম বাংলাদেশের জন্য ভালো। রাতে আই ক্রিম লাগাতে একদম এ ভুলবেন না। সপ্তাহে ২দিন চুলে তেল দিবেন।
৩। যার কাছে সাজবেন তাকে আগেই বুকিং দিয়ে রাখুন। মনে রাখবেন লাস্ট সময়ের জন্য কিছুই ফেলে রাখবেন না।
৪। প্রতি মাসে একবার পারলার এ গিয়ে নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফেসিয়াল করাবেন, সপ্তাহে একবার পেডিকিউর, মেনিকিউর করাবেন। মাসে দুইবার হট অয়েল মেসেজ এবং একবার প্রোটিন প্যাক লাগাবেন। এতে করে চুল এ খুশকি হবে না, চুল নরম থাকবে। ভ্রু প্লাক না করিয়ে বড় করুন, বিয়ের আগে নতুন করে ভ্রুর শেপ দিন।
৫। যদি আপনার বাহুর নিচে কালো দাগ থাকে, প্রতিদিন লেবু দিয়ে ঘষবেন, ঠোটে থাকলে কাঁচা দুধ দিয়ে ঘসবেন, কালো দাগ চলে যাবে।
বিয়ের ১ মাস আগেঃ
১। কোন দুচিন্তা না করে, বিয়ের পরের সুন্দর জীবন, নতুন জীবন এর কথা ভাববেন। কি করে জীবনটাকে উপভোগ্য করা যায় সেটা ভাববেন। মোট কথা সুন্দর চিন্তা করবেন।
২। বিয়ের আগে লাস্ট ফেসিয়াল করিয়ে ফেলুন। চুল একটু ছেঁটে নিতে পারেন।
৩। রেগুলার মুখে প্যাক লাগাবেন।
৪। প্রতিদিন রাতে দুধের সাথে কাঁচা হলুদ মিক্স করে খাবেন। এতে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল হবে। প্রচুর পরিমাণে পানি খাবেন, কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে ইসবগুলের ভুসি খাবেন।
৫। এই সময় স্কিন নিয়ে কোন পরীক্ষা নিরিক্ষা না করাই ভালো, যা আগে থেকে ব্যবহার করতেন সেটা করাই ভালো। নতুন কিছু ট্রাই করা উচিত না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।
৬। যাকে দিয়ে মেহেদি লাগাবেন তাকে বুক করে ফেলুন। আজকাল মেহেদি কনের একটা আকর্ষণীও পার্ট।
১ সপ্তাহ আগেঃ
১। বিয়ের ফেসিয়াল টি করে ফেলুন, সেটা হতে পারে গোল্ড, ব্রাইডাল ফেসিয়াল। পেডিকিউর, মেনিকিউর করিয়ে ফেলুন। চুল স্পা করাতে পারেন।
২। নিজেকে রিলাক্স রাখুন। বাইরে বের না হয়ে ঘরে থাকুন।
৩। প্রচুর পানি পান করুন।
৪। ভ্রু প্লাক করে ফেলুন।
৫। বিয়ের আগের এই কটা দিন প্রতিদিন হলুদ আর বেসন এর প্যাক সারা গায়ে লাগাবেন। শুকিয়ে গেলে উঠিয়ে গোসল করে ফেলবেন। এতে করে শরীর সুন্দর হবে।

উজ্জ্বল সাদা দাঁতের জন্য যা করতে হবে

আপনার উজ্জ্বল সাদা দাঁতগুলো বিবর্ণ হয়ে গেছে? ভাবছেন ডেন্টিস্টের শরণাপন্ন হবেন? তো পকেটের বারোটা বাজানোর জন্য তৈরি হোন। তবে, হ্যা, চাইলেই বাঁচাতে পারেন ডেন্টিস্ট খরচ, পেতে পারেন উজ্জ্বল সাদা দাঁত ঘরে বসেই, সামান্য সময় আর চেষ্টাতেই। জেনে নিন কিভাবে

উজ্জ্বল সাদা দাঁত মিলবে ঘরে বসেই
কলার খোসা: প্রচুর পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ কলা একটি আদর্শ ফলই শুধু নয়, এর খোসারও আছে জাদুকরী ক্ষমতা। দাঁত উজ্জ্বল সাদা করে তুলতে এর জুড়ি নেই। প্রতিদিন দু’বার এক থেকে দুই মিনিটের জন্য কলার খোসা দাঁতে ঘষুন। এতে করে দাঁত পর্যাপ্ত পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যগনেশিয়াম পায় যা দাঁতকে সাদা রাখতে সাহায্য করে। কমলার খোসাও দাঁত উজ্জ্বল সাদা করতে ভালো কাজে দেয়।

স্ট্রবেরি: আপনি কি জানেন, দাঁত ঝকঝকে সাদা রাখতে স্ট্রবেরি কতটা কাজে দেয়? স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমাণে প্রাকতিক এনজাইম মলিক এসিড আছে যা দাঁত উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। আর তাছাড়া স্ট্রবেরির ফাইবার মুখ ও দাঁতের ব্যাকটেরিয়া দূর করতে ভালো কাজে দেয়। একটি স্ট্রবেরি পেস্ট করে ২-৩ মিনিটের জন্য দাঁতে লাগিয়ে রাখুন। এরপর মুখ ধুয়ে বা ব্রাশ করে নিন।
গাজর: কাঁচা গাজর দাঁতের প্লাক তুলে মুখকে পরিস্কার রাখতে খুব ভালো কাজ করে। শুধু ভালোভাবে পরিস্কার করে কাচা গাজর খেলে বা টুকরো করে দাঁতে ঘষলে একদিকে দাঁত খুব ভালো পরিস্কার ও উজ্জ্বল হয়, অন্যদিকে মুখের ব্যাকটেরিয়া দূর করে মুখ দুর্গন্ধ হওয়ার হাত থেকে বাঁচায়।
ধূমপান ত্যাগ করুন: ধূমপান ছাড়ার উপকারিতার শেষ নেই। ধূমপানের ফলে দাঁতে হলুদ দাড় পড়ে যায় সাথে নানা রোগ বালাই তো আছেই। তো মুক্তোর মতো সাঁদা দাত পেতে চাইলে অবশ্যই ধূমপান ছাড়তে হবে।
স্ট্র ব্যবহার করুন: অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা গরম খাবার বা পানীয় কোনোটাই আপনার দাঁতের জন্য ভালো নয়। তাই চা বা কফি কিংবা কোমল পানীয় অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা এড়িয়ে চলুন। সম্ভব হলে, স্ট্র ব্যবহার করুন। এতে করে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা গরম সরাসরি দাঁতের সংস্পর্শে আসবে না।
আপনার উজ্জ্বল সাদা দাঁতগুলো বিবর্ণ হয়ে গেছে? ভাবছেন ডেন্টিস্টের শরণাপন্ন হবেন? তো পকেটের বারোটা বাজানোর জন্য তৈরি হোন। তবে, হ্যা, চাইলেই বাঁচাতে পারেন ডেন্টিস্ট খরচ, পেতে পারেন উজ্জ্বল সাদা দাঁত ঘরে বসেই, সামান্য সময় আর চেষ্টাতেই। জেনে নিন কিভাবে

উজ্জ্বল সাদা দাঁত মিলবে ঘরে বসেই
কলার খোসা: প্রচুর পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ কলা একটি আদর্শ ফলই শুধু নয়, এর খোসারও আছে জাদুকরী ক্ষমতা। দাঁত উজ্জ্বল সাদা করে তুলতে এর জুড়ি নেই। প্রতিদিন দু’বার এক থেকে দুই মিনিটের জন্য কলার খোসা দাঁতে ঘষুন। এতে করে দাঁত পর্যাপ্ত পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যগনেশিয়াম পায় যা দাঁতকে সাদা রাখতে সাহায্য করে। কমলার খোসাও দাঁত উজ্জ্বল সাদা করতে ভালো কাজে দেয়।

স্ট্রবেরি: আপনি কি জানেন, দাঁত ঝকঝকে সাদা রাখতে স্ট্রবেরি কতটা কাজে দেয়? স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমাণে প্রাকতিক এনজাইম মলিক এসিড আছে যা দাঁত উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। আর তাছাড়া স্ট্রবেরির ফাইবার মুখ ও দাঁতের ব্যাকটেরিয়া দূর করতে ভালো কাজে দেয়। একটি স্ট্রবেরি পেস্ট করে ২-৩ মিনিটের জন্য দাঁতে লাগিয়ে রাখুন। এরপর মুখ ধুয়ে বা ব্রাশ করে নিন।
গাজর: কাঁচা গাজর দাঁতের প্লাক তুলে মুখকে পরিস্কার রাখতে খুব ভালো কাজ করে। শুধু ভালোভাবে পরিস্কার করে কাচা গাজর খেলে বা টুকরো করে দাঁতে ঘষলে একদিকে দাঁত খুব ভালো পরিস্কার ও উজ্জ্বল হয়, অন্যদিকে মুখের ব্যাকটেরিয়া দূর করে মুখ দুর্গন্ধ হওয়ার হাত থেকে বাঁচায়।
ধূমপান ত্যাগ করুন: ধূমপান ছাড়ার উপকারিতার শেষ নেই। ধূমপানের ফলে দাঁতে হলুদ দাড় পড়ে যায় সাথে নানা রোগ বালাই তো আছেই। তো মুক্তোর মতো সাঁদা দাত পেতে চাইলে অবশ্যই ধূমপান ছাড়তে হবে।
স্ট্র ব্যবহার করুন: অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা গরম খাবার বা পানীয় কোনোটাই আপনার দাঁতের জন্য ভালো নয়। তাই চা বা কফি কিংবা কোমল পানীয় অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা এড়িয়ে চলুন। সম্ভব হলে, স্ট্র ব্যবহার করুন। এতে করে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা গরম সরাসরি দাঁতের সংস্পর্শে আসবে না।

রূপচর্চায় মধু

ত্বক পরিচর্যায় মধুর ব্যবহার সুপ্রাচীন কাল থেকেই। তবে, আধুনিক জীবনে নিত্যনতুন প্রসাধনীর ব্যবহার বেড়েছে। বেড়েছে ত্বক পরিচর্যায় ক্যামিকেল পণ্যের ব্যবহার। কিন্তু ত্বক পরিচর্যা ও সৌন্দর্য রক্ষায় মধুর ব্যবহার আজো শেষ হয়ে যায়নি। জেনে নিন রূপচর্চায় মধু কিভাবে ব্যবহার করবেন এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস।

রূপচর্চায় মধু : কিছু গুরুত্বপূর্ণ অব্যর্থ টিপস

১. মধু প্রাকৃতকি ময়শ্চোরাইজার হিসেবে কাজ করে। বাতাস থেকে জলীয়বাষ্প ত্বকে টেনে নিয়ে দীর্ঘসময় ত্বকের গভীরে নমনীয়তা ধরে রাখে।
২. প্রতিদিন এক টবেলি চামচ মধু পরষ্কিার ত্বকে লাগিয়ে ১৫-২০ মনিটি রাখুন। পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন আর পান কোমল ও মসৃণ ত্বক।
৩. বাইরে থেকে ফিরে মধু ও আটা দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এটি মুখে ১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলনু। এতে মুখের পোড়াভাব কমে যাবে। মুখ হবে উজ্জ্বল।
৪. কয়েকটি বাদাম পেষ্ট করে এর সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এই পেষ্ট ১৫-২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। প্রতিদিন লাগালে দারুন উপকার পাবেন।
৫. মধু ত্বক ও রোমকূপের গভীরে জমে থাকা ময়লা ও ধূলাবালি দূর করতে দারুন কার্যকর।
৬. মধুতে আছে অ্যান্টব্যিাকটেরিয়াল উপাদান, যা ত্বককে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার ও অন্যান্য জীবানুর হাত থকে বাঁচায়।
৭. এক টেবিল চামচ মধু দুই টেবিল চামচ নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে নিন। চোখ বাদে সারা মুখে ভালোভাবে ঘষে ঘষে লাগান। ১৫-২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
৮. মধুতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এনজাইম ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান যা ত্বকের মৃত কোষ তুলে নতুন কোষ গঠন করেত সাহায্য করে।
৯. দুই টেবিল চামচ মধু এক টেবিল চামচ বেকিং সোডার সাথে মিশিয়ে নিন। মুখে বা শরীরে হালকা ভাবে ঘষে ঘষে লাগান। কিছুক্ষণ পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মুখ বা শরীরের ত্বক গভীর থেকে পরিষ্কার হয়ে গেছে।
১০. মধুর অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান টিস্যু পুনর্গঠন করে ত্বকরে কালো দাগ কমাতে সাহায্য করে।
১১. এক টেবিল চামচ মধু ও এক টেবিল চামচ নারকেল বা জলপাই তেল মিশিয়ে ত্বকের ক্ষতচিহ্ন বা দাগের ওপর মালিশ করুন। এরপর তোয়ালে বা কাপড় গরম করে ত্বকের ওপর ধরে রাখুন ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত। প্রতিদিন ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।
১২. ত্বকের ব্রণ, লালচেভাব ও জ্বালাপোড়ার স্থানে হালকা মধু লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মধুর অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের ব্রণ, লালচেভাব ও জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে।
১৩. এক কাপ গরম পানতি দুই টবেলি চামচ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে এক বালতি পানিতে ঢালুন। মধু মেশানো পানিতে গোসল করলে ত্বক পরষ্কিার থাকবে এবং ব্যাকটরেয়িা সংক্রমণের হাত থেকেও রক্ষা পাবে ত্বক।
১৪. দুই টেবিল চামচ নারকেল তেলের সাথে এক টেবিল চামচ মধুর ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ চুলে ভালোভাবে ঘষে ঘষে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর চুল পরিষ্কার করুন। মধুর এনজাইম চুলকে উজ্জ্বল করে আর মাথার ত্বকে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।
১৫. মধু ও অ্যালোভেরা মিশিয়ে রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বকে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। মধুর অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ত্বকের আদ্রতা ধরে রেখে পোড়াভাব কমাতে সাহায্য করে।
১৬. প্রতিদিন সকাল খালিপেটে এক টেবিল চামচ মধু খেলে ত্বক হয় উজ্জ্বল ও টানটান।
১৭. শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনারের সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে চুলের নিচের অংশে ভালোভাবে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলনু। চুল হবে উজ্জ্বল ও রশমী কোমল।
১৮. মধু, আমন্ড অয়েল, গুঁড়ো দুধ ও লেবুর রস পরিমাণমতো মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে ১৫ মনিটি পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্রণ ও ত্বকের কালোভাব দূর করতে কাজ করে।
১৯. এক চামচ আমন্ড অয়েল ও এক চামচ মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। এটি ঠোঁট ফাঁটা রোধ করে ও ঠোঁটকে রাখে কোমল, সতেজ।
২০. দুই টেবিল চামচ মধু, আধা চামচ চিনি ও কয়েকফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে স্ক্র্যাব বানিয়ে নিন। এই স্ক্র্যাব ২-৩ মিনিট মুখে লাগিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল হবে।
২১. প্রাকৃতিকভাবে চুল কালার বা হাইলাইট করতে মধু দারুন কার্যকরী। মধুর সাথে প্রয়োজনমতো টক দই মিশিয়ে নিন। এরপর চুলের যে অংশ কালার বা হাইলাইট করেত চান, সেখানে ভালোভাবে মিশ্রনটি লাগিয়ে দুই ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। টানা এক সপ্তাহ লাগালে প্রাকৃতিকভাবেই পাবেন চুলের কালার বা হাইলাইটস।
২২. এক টেবিল চামচ মধু ও এক টেবিল চামচ পানির সাথে পরিমাণমতো ময়দা নিয়ে মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এই পেষ্ট মুখে বিশেষ করে বলিরেখার জায়গায় লাগান। শুকিয়ে গেলে সামান্য পানি নিয়ে ভিজিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে মুখের বলিরেখা সম্পূর্ণ চলে যাবে।
২৩. তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মধুর সাথে শসার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন। তুলার ব্রাশ বানিয়ে মিশ্রনটি ভালোভাবে মুখে লাগান। ৩০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হবে।
২৪. চালের গুড়ার সাথে মধু মিশিয়ে নিয়ে ভালোভাবে মুখে লাগান। ত্বক শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দু’বার ব্যবহারে ত্বক হবে কোমল ও ফর্সা।
২৫. মধুর সাথে টমেটোর রস মিশিয়ে মুখে লাগালে ত্বক হবে কোমল ও মসৃন।
২৬. একটি আপেল ও এক টেবিল চামচ মধু ব্লেন্ডারে নিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন। এটি ত্বকের টোনার হিসেবে দারুন কাজ করে। ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে ত্বক উজ্জ্বল হয়।
২৭. শ্যাম্পুর সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে স্বাভাবিকভাবেই ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল হবে নমনীয় ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।
২৮. মধুর সাথে চিনি, পানি ও বেসন মিশিয়ে ঘন পেষ্ট তৈরি করুন। এটি সাবান বা ফেসওয়াশের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন।
২৯. মধুর সাথে কমলার রস ও গোলাপ জ মিশিয়ে মুখে লাগালে ত্বকের সতেজতা ফিরে আসবে।
৩০. মধুর সাথে আপেল বা কমলার রস, একটু মুলতানি মাটি ও টক দই মিশিয়ে নিন। এটি ফেসপ্যাক হিসেবে দারুন কার্যকর।
৩১. নিমপাতা বাটার সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এটি নিয়মিত ব্যবহারে মুখের ব্রণ ও কালো দাগ সম্পূর্ণ চলে যায়।
৩২. এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক টেবিল চামচ মধু ও পরিমাণমতো লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি প্রতিদিন সকালে খালিপেটে পান করলে মুখের ত্বক হবে কোমল, মসৃণ ও উজ্জ্বল।
৩৩. এক টেবিল চামচ মধুর সাথে দুই চামচ পাঁকা পেঁপের শাঁস, এক চামচ তরমুজের রস, এক চামচ লেবুর রস, অর্ধেক ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নিন। এটি মুখ বা শরীরের কালো হয়ে যাওয়া অংশে ঘষে ঘষে লাগান। কয়েক সপ্তাহ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।
৩৪. চালের গুড়ার সাথে পরিমাণমতো গোলাপ জল ও আধা টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি ত্বকের ব্ল্যক হেডসের ওপর ভালোভাবে ঘষে ঘষে লাগান। নিয়মিত ব্যবহারে মুখের ব্ল্যক হেডসের সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে।
ত্বক পরিচর্যায় মধুর ব্যবহার সুপ্রাচীন কাল থেকেই। তবে, আধুনিক জীবনে নিত্যনতুন প্রসাধনীর ব্যবহার বেড়েছে। বেড়েছে ত্বক পরিচর্যায় ক্যামিকেল পণ্যের ব্যবহার। কিন্তু ত্বক পরিচর্যা ও সৌন্দর্য রক্ষায় মধুর ব্যবহার আজো শেষ হয়ে যায়নি। জেনে নিন রূপচর্চায় মধু কিভাবে ব্যবহার করবেন এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস।

রূপচর্চায় মধু : কিছু গুরুত্বপূর্ণ অব্যর্থ টিপস

১. মধু প্রাকৃতকি ময়শ্চোরাইজার হিসেবে কাজ করে। বাতাস থেকে জলীয়বাষ্প ত্বকে টেনে নিয়ে দীর্ঘসময় ত্বকের গভীরে নমনীয়তা ধরে রাখে।
২. প্রতিদিন এক টবেলি চামচ মধু পরষ্কিার ত্বকে লাগিয়ে ১৫-২০ মনিটি রাখুন। পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন আর পান কোমল ও মসৃণ ত্বক।
৩. বাইরে থেকে ফিরে মধু ও আটা দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এটি মুখে ১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলনু। এতে মুখের পোড়াভাব কমে যাবে। মুখ হবে উজ্জ্বল।
৪. কয়েকটি বাদাম পেষ্ট করে এর সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এই পেষ্ট ১৫-২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। প্রতিদিন লাগালে দারুন উপকার পাবেন।
৫. মধু ত্বক ও রোমকূপের গভীরে জমে থাকা ময়লা ও ধূলাবালি দূর করতে দারুন কার্যকর।
৬. মধুতে আছে অ্যান্টব্যিাকটেরিয়াল উপাদান, যা ত্বককে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার ও অন্যান্য জীবানুর হাত থকে বাঁচায়।
৭. এক টেবিল চামচ মধু দুই টেবিল চামচ নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে নিন। চোখ বাদে সারা মুখে ভালোভাবে ঘষে ঘষে লাগান। ১৫-২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
৮. মধুতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এনজাইম ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান যা ত্বকের মৃত কোষ তুলে নতুন কোষ গঠন করেত সাহায্য করে।
৯. দুই টেবিল চামচ মধু এক টেবিল চামচ বেকিং সোডার সাথে মিশিয়ে নিন। মুখে বা শরীরে হালকা ভাবে ঘষে ঘষে লাগান। কিছুক্ষণ পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মুখ বা শরীরের ত্বক গভীর থেকে পরিষ্কার হয়ে গেছে।
১০. মধুর অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান টিস্যু পুনর্গঠন করে ত্বকরে কালো দাগ কমাতে সাহায্য করে।
১১. এক টেবিল চামচ মধু ও এক টেবিল চামচ নারকেল বা জলপাই তেল মিশিয়ে ত্বকের ক্ষতচিহ্ন বা দাগের ওপর মালিশ করুন। এরপর তোয়ালে বা কাপড় গরম করে ত্বকের ওপর ধরে রাখুন ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত। প্রতিদিন ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।
১২. ত্বকের ব্রণ, লালচেভাব ও জ্বালাপোড়ার স্থানে হালকা মধু লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মধুর অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের ব্রণ, লালচেভাব ও জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে।
১৩. এক কাপ গরম পানতি দুই টবেলি চামচ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে এক বালতি পানিতে ঢালুন। মধু মেশানো পানিতে গোসল করলে ত্বক পরষ্কিার থাকবে এবং ব্যাকটরেয়িা সংক্রমণের হাত থেকেও রক্ষা পাবে ত্বক।
১৪. দুই টেবিল চামচ নারকেল তেলের সাথে এক টেবিল চামচ মধুর ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ চুলে ভালোভাবে ঘষে ঘষে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর চুল পরিষ্কার করুন। মধুর এনজাইম চুলকে উজ্জ্বল করে আর মাথার ত্বকে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।
১৫. মধু ও অ্যালোভেরা মিশিয়ে রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বকে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। মধুর অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ত্বকের আদ্রতা ধরে রেখে পোড়াভাব কমাতে সাহায্য করে।
১৬. প্রতিদিন সকাল খালিপেটে এক টেবিল চামচ মধু খেলে ত্বক হয় উজ্জ্বল ও টানটান।
১৭. শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনারের সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে চুলের নিচের অংশে ভালোভাবে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলনু। চুল হবে উজ্জ্বল ও রশমী কোমল।
১৮. মধু, আমন্ড অয়েল, গুঁড়ো দুধ ও লেবুর রস পরিমাণমতো মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে ১৫ মনিটি পর ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্রণ ও ত্বকের কালোভাব দূর করতে কাজ করে।
১৯. এক চামচ আমন্ড অয়েল ও এক চামচ মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। এটি ঠোঁট ফাঁটা রোধ করে ও ঠোঁটকে রাখে কোমল, সতেজ।
২০. দুই টেবিল চামচ মধু, আধা চামচ চিনি ও কয়েকফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে স্ক্র্যাব বানিয়ে নিন। এই স্ক্র্যাব ২-৩ মিনিট মুখে লাগিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল হবে।
২১. প্রাকৃতিকভাবে চুল কালার বা হাইলাইট করতে মধু দারুন কার্যকরী। মধুর সাথে প্রয়োজনমতো টক দই মিশিয়ে নিন। এরপর চুলের যে অংশ কালার বা হাইলাইট করেত চান, সেখানে ভালোভাবে মিশ্রনটি লাগিয়ে দুই ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। টানা এক সপ্তাহ লাগালে প্রাকৃতিকভাবেই পাবেন চুলের কালার বা হাইলাইটস।
২২. এক টেবিল চামচ মধু ও এক টেবিল চামচ পানির সাথে পরিমাণমতো ময়দা নিয়ে মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এই পেষ্ট মুখে বিশেষ করে বলিরেখার জায়গায় লাগান। শুকিয়ে গেলে সামান্য পানি নিয়ে ভিজিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে মুখের বলিরেখা সম্পূর্ণ চলে যাবে।
২৩. তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মধুর সাথে শসার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন। তুলার ব্রাশ বানিয়ে মিশ্রনটি ভালোভাবে মুখে লাগান। ৩০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হবে।
২৪. চালের গুড়ার সাথে মধু মিশিয়ে নিয়ে ভালোভাবে মুখে লাগান। ত্বক শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দু’বার ব্যবহারে ত্বক হবে কোমল ও ফর্সা।
২৫. মধুর সাথে টমেটোর রস মিশিয়ে মুখে লাগালে ত্বক হবে কোমল ও মসৃন।
২৬. একটি আপেল ও এক টেবিল চামচ মধু ব্লেন্ডারে নিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন। এটি ত্বকের টোনার হিসেবে দারুন কাজ করে। ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে ত্বক উজ্জ্বল হয়।
২৭. শ্যাম্পুর সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে স্বাভাবিকভাবেই ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল হবে নমনীয় ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।
২৮. মধুর সাথে চিনি, পানি ও বেসন মিশিয়ে ঘন পেষ্ট তৈরি করুন। এটি সাবান বা ফেসওয়াশের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন।
২৯. মধুর সাথে কমলার রস ও গোলাপ জ মিশিয়ে মুখে লাগালে ত্বকের সতেজতা ফিরে আসবে।
৩০. মধুর সাথে আপেল বা কমলার রস, একটু মুলতানি মাটি ও টক দই মিশিয়ে নিন। এটি ফেসপ্যাক হিসেবে দারুন কার্যকর।
৩১. নিমপাতা বাটার সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এটি নিয়মিত ব্যবহারে মুখের ব্রণ ও কালো দাগ সম্পূর্ণ চলে যায়।
৩২. এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক টেবিল চামচ মধু ও পরিমাণমতো লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি প্রতিদিন সকালে খালিপেটে পান করলে মুখের ত্বক হবে কোমল, মসৃণ ও উজ্জ্বল।
৩৩. এক টেবিল চামচ মধুর সাথে দুই চামচ পাঁকা পেঁপের শাঁস, এক চামচ তরমুজের রস, এক চামচ লেবুর রস, অর্ধেক ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নিন। এটি মুখ বা শরীরের কালো হয়ে যাওয়া অংশে ঘষে ঘষে লাগান। কয়েক সপ্তাহ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।
৩৪. চালের গুড়ার সাথে পরিমাণমতো গোলাপ জল ও আধা টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি ত্বকের ব্ল্যক হেডসের ওপর ভালোভাবে ঘষে ঘষে লাগান। নিয়মিত ব্যবহারে মুখের ব্ল্যক হেডসের সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে।

নারীর রুপ লাবন্য ধরে রাখতে সাহায্য করে যে সব খাবার

কাজের চাপ, খাবার দাবারে অসচেতনতা আর নিজের প্রতি যত্নের অভাবে অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যান অধিকাংশ নারী। ত্বকের সৌন্দর্য, দেহের গড়ন সবই নষ্ট হতে বসে অকালে। প্রজননগত কারণে নারীর শরীরে বাড়তি কিছু সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়। তাই অল্পদিনেই বয়সের ছাপ পড়ে আরও অনেক বেশি। এসব এড়িয়ে দীর্ঘদিন সৌন্দর্য ধরে রাখতে চাই প্রয়োজনীয় পুষ্টির সুষম যোগান। কিছু কিছু খাবার রয়েছে যা নারীর তারুণ্য ধরে রাখার জন্য খুবই উপকারী। জেনে নেয়া যাক তেমনি পাঁচ খাবার সম্পর্কে।


শাক-সবজি
বেশি করে শাক-সবজি খাওয়া দেহের জন্য খুবই ভালো। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শাক, শিম, ব্রোকলি, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি-এসব থাকতে পারে খাদ্য তালিকায়। উচ্চ পরিমাণ আঁশ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে এবং ফলিক এসিডের উৎস। রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ চার মিনারেল- ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়াম। চেষ্টা করতে হবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যেন এই খাবারগুলো থাকে।

গম
গমে রয়েছে ৯৬ শতাংশ আঁশ, প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও ভিটামিন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, গমের রুটি, গমের পাস্তার মধ্যে উচ্চমাত্রার পুষ্টি রয়েছে। খাদ্যতালিকায় তাই এই খাবার রাখতে পারেন। নারীর দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে এ ধরনের খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বাদাম
বাদামকে খাবারের তালিকায় অবশ্যই রাখতে হবে। এটি প্রোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন বি-এর ভালো উৎস, যা হৃদরোগ ও ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চমাত্রার ক্যালরি, তবে এর চর্বি হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো। বিকেলের নাশতা হিসেবেও বাদাম খাওয়া যেতে পারে। তবে বেশি খাবেন না। সপ্তাহে ১৫ থেকে ২০টি কাঠবাদাম, ওয়ালনাট বা চিনাবাদামই যথেষ্ট।

দই
ননিবিহীন দই ভিটামিন, প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের উন্নতমানের উৎস। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া, যা রোগের সঙ্গে লড়াই করে। সপ্তাহে তিন থেকে চার কাপ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে দইটি খাচ্ছেন তার মধ্যে কোনো চিনি নেই।

বেরি-জাতীয় ফল
বেরি-জাতীয় ফল যেমন ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, জামে আছে উচ্চ পরিমাণে আঁশ আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কেবলমাত্র বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিকেই কমাবে না, স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও কাজ করে। ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে অ্যান্টি- অক্সিডেন্টের তুলনা হয় না।
কাজের চাপ, খাবার দাবারে অসচেতনতা আর নিজের প্রতি যত্নের অভাবে অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যান অধিকাংশ নারী। ত্বকের সৌন্দর্য, দেহের গড়ন সবই নষ্ট হতে বসে অকালে। প্রজননগত কারণে নারীর শরীরে বাড়তি কিছু সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়। তাই অল্পদিনেই বয়সের ছাপ পড়ে আরও অনেক বেশি। এসব এড়িয়ে দীর্ঘদিন সৌন্দর্য ধরে রাখতে চাই প্রয়োজনীয় পুষ্টির সুষম যোগান। কিছু কিছু খাবার রয়েছে যা নারীর তারুণ্য ধরে রাখার জন্য খুবই উপকারী। জেনে নেয়া যাক তেমনি পাঁচ খাবার সম্পর্কে।


শাক-সবজি
বেশি করে শাক-সবজি খাওয়া দেহের জন্য খুবই ভালো। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শাক, শিম, ব্রোকলি, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি-এসব থাকতে পারে খাদ্য তালিকায়। উচ্চ পরিমাণ আঁশ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে এবং ফলিক এসিডের উৎস। রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ চার মিনারেল- ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়াম। চেষ্টা করতে হবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যেন এই খাবারগুলো থাকে।

গম
গমে রয়েছে ৯৬ শতাংশ আঁশ, প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও ভিটামিন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, গমের রুটি, গমের পাস্তার মধ্যে উচ্চমাত্রার পুষ্টি রয়েছে। খাদ্যতালিকায় তাই এই খাবার রাখতে পারেন। নারীর দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে এ ধরনের খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বাদাম
বাদামকে খাবারের তালিকায় অবশ্যই রাখতে হবে। এটি প্রোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন বি-এর ভালো উৎস, যা হৃদরোগ ও ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চমাত্রার ক্যালরি, তবে এর চর্বি হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো। বিকেলের নাশতা হিসেবেও বাদাম খাওয়া যেতে পারে। তবে বেশি খাবেন না। সপ্তাহে ১৫ থেকে ২০টি কাঠবাদাম, ওয়ালনাট বা চিনাবাদামই যথেষ্ট।

দই
ননিবিহীন দই ভিটামিন, প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের উন্নতমানের উৎস। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া, যা রোগের সঙ্গে লড়াই করে। সপ্তাহে তিন থেকে চার কাপ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে দইটি খাচ্ছেন তার মধ্যে কোনো চিনি নেই।

বেরি-জাতীয় ফল
বেরি-জাতীয় ফল যেমন ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, জামে আছে উচ্চ পরিমাণে আঁশ আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কেবলমাত্র বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিকেই কমাবে না, স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও কাজ করে। ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে অ্যান্টি- অক্সিডেন্টের তুলনা হয় না।
 
গার্লস দুনিয়া Copyright © 2016 Design by Nazifa Yeasmin গার্লস দুনিয়া